মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬ ।। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ৯ জিলহজ ১৪৪৭


‘বইটিতে মাওলানা যাইনুল আবিদীনের সারা জীবনের লেখাপড়ার সারনির্যাস উঠে এসেছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: রাকিবুল হাসান

রাজধানীর বাংলাবাজারের রুচিশীল বইয়ের প্রতিষ্ঠান ‘মেশক প্রকাশন’-এর চতুর্থ বছরে পদার্পণ এবং নন্দিত লেখক, সুসাহিত্যিক মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন রচিত ‘ভালোবেসে ভুল করিনি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত লেখক-সাহিত্যিক মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ.-এর বড় ছেলে, সাপ্তাহিক মুসলিম জাহানের সম্পাদক মোস্তফা মঈনুদ্দীন খান। আলোচক ছিলেন ঢাকা মেইলের চিফ নিউজ এডিটর জহির উদ্দিন বাবর এবং জনপ্রিয় লেখক ও শিক্ষক সাবের চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) আসরের পর বাংলাবাজারের প্যারিদাস রোডের কওমি মার্কেট, তৃতীয় তলায় মেশক প্রকাশনের সামনে এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নন্দিত লেখক ও সিরাত গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন।

আরও পড়ুন: ঘরে বসেই আধুনিক সাংবাদিকতা ও সৃজনশীল লেখালেখি শেখার সুযোগ

অনুষ্ঠানে মোস্তফা মঈনুদ্দীন খান বলেন, আমরা জন্মের পর থেকে খেলনা হিসেবে বইপত্রকেই পেয়েছি। একারণে আমাদের সবেচেয়ে প্রিয় বিষয় বই। আজকে আমাদের প্রিয় লেখক, বাংলাদেশের হাতেগোনা কয়েকজন লেখকের একজন। প্রিয় ভাই মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীনের নতুন বইটি হাতে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি। এটা ঈদের আনন্দের মতো। বইটিতে মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন সারাজীবনে যে পরিমাণ লেখাপড়া করেছেন, যেসব জ্ঞান অর্জন করেছেন—সেটার সারনির্যাস তার কলম থেকে বের হয়েছে। এটা যদি আমি আপনি পড়ি তাহলে তার লব্ধ জ্ঞান থেকে আমরাও উপকৃত হতে পারবো। এবং তার সারা জীবনের মেহনতের ফসল থেকে আমরাও উপকৃত হতে পারবো। এছাড়া আমি মনে করি এ ধরনের প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের বই পড়া নবীনদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে। আমাদের সমাজ উপকৃত হবে।

সাপ্তাহিক মুসলিম জাহানের সম্পাদক বলেন, ১৯৬০ সালে এই ঢাকা শহরে আমার জন্ম। রাজনৈতিক অঙ্গন কিংবা লেখালেখি-সাংবাদিকতায় যারা আপনাদের স্বপ্নপুরুষ—বাবার কল্যাণে আমার তাদের অনেকের কোলে চড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। যেমন আমি প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ, কবি নজরুল, কবি ফররুখ, কবি সুফিয়া কামালসহ ডান-বাম অনেক লেখককে দেখেছি।

তিনি বলেন, এছাড়া বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী, হজরত মাওলানা তাকী উসমানী, হজরত মাওলানা রফী উসমানি, মাওলানা আবদুল্লাহ বরখাস্তি, মাওলানা আনজার শাহ কাশ্মীরিসহ অনেক লেখকের একাধিকবার মেহমানদারি করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি।

এ সময় তিনি পাকিস্তান সফরে বিখ্যাত ঔপন্যাসিক নসীম হিজাজীর সঙ্গে সাক্ষাতের ঘটনা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠান শেষে সবাই অটোগ্রাফসহ লেখকের নতুন বই সংগ্রহ করেন এবং মিষ্টিমুখ করে বিদায় নেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ