সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১২ মাঘ ১৪৩২ ।। ৭ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
মৌলভীবাজার–৪ আসনে মাওলানা হামিদীর পক্ষে নামছেন আমিরে মজলিস জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষার অধ্যাদেশ জারি দলের চার প্রার্থীসহ বিএনপির প্রার্থীদের বিজয়ী করতে জমিয়তের আহ্বান যশোর-৪ আসনে সরে দাঁড়ালেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বিশিষ্ট আলেম মুফতি মুবারকুল্লাহ ভারত-আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক কেন, প্রশ্ন পীর সাহেব চরমোনাইয়ের মাওলানা রাজুর পক্ষে আমিরে মজলিসের নির্বাচনী জনসভা মঙ্গলবার অসুস্থ হাটহাজারীর মুহতামিমকে দেখতে হাসপাতালে ধর্ম উপদেষ্টা মোহাম্মদপুরে দুই মামলায় হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নির্বাচনকালীন ৬ দিন স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

জুমআর দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করার ফজিলত


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জুমআর দিন মুসলিম উম্মাহর জন্য রয়েছে ফজিলতপূর্ণ অনেক আমল। এগুলোর মধ্যে একটি আমল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তা হচ্ছে জুমআর দিনে ‘সুরা কাহফ’ তেলাওয়াত। পবিত্র কুরআনুল কারিমের ১৫তম পারার ১৮নং সুরা এটি। যদি কেউ সম্পূর্ণ সুরাটি তেলাওয়াত করতে না পারে তাহলে এ সুরার প্রথম এবং শেষ ১০ আয়াত তেলাওয়াত করলেও অনেকটা ফজিলত পাবে। এ সুরা তেলাওয়াতের ফজিলত বর্ণনা করে হাদিসে এসেছে-

‘যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা আল কাহাফ পড়বে, তার ইমানের নুর এ জুমাহ থেকে আগামী জুমাহ পর্যন্ত চমকাতে থাকবে। (মিশকাত ২১৭৫)’

‘যে ব্যক্তি সূরা আল কাহাফ এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে তাকে দাজ্জালের অনিষ্ট হতে নিরাপদ রাখা হবে। (মুসলিম) (মিশকাত)’

‘যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এমন একটি নুর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করে দিবে। আর যে ব্যক্তি এ সুরার শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’ (সিলসিলায়ে সহীহা -২৬৫১)।

‘যে ব্যক্তি জুমার রাতে সুরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য স্বীয় অবস্থানের জায়গা হতে পবিত্র মক্কা পর্যন্ত একটি নুর হবে।’ (সহীহ তারগীব ওয়াত্ তারহীব - ৭৩৬)।

‘জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করিলে কিয়ামত দিবসে তার পায়ের নীচ থেকে আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত নূর আলোকিত হবে এবং দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ মাফ হবে।’ (আত তারগীব ওয়াল তারহীব- ১/২৯৮)

‘জনৈক ব্যক্তি সূরাহ আল কাহফ পড়ছিল। তখন লোকটি তাকিয়ে দেখতে পেল একখণ্ড মেঘ তাকে পরিবেষ্টন করে নিয়েছে। বারা ইবনু আযিব বর্ণনা করেছেন যে, লোকটি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম এর কাছে বললেন। তিনি তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, হে অমুক তুমি সুরাটি পড়তে থাক। কারণ এটি ছিল আল্লাহর রহমত বা প্রশান্তি যা কোরআন তেলাওয়াতের কারণে বা কোরআন তেলাওয়াতের জন্য অবতীর্ণ হয়েছিল।’ (মুসলিম- ১৭৪২)।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ