মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬ ।। ১০ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৫ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
আল হাইআতুল উলয়ায় অংশগ্রহণের ২য় বছরেই রওজাতুল জান্নাত মহিলা মাদরাসার সাফল্য প্রতিষ্ঠার প্রথম বছরেই বেফাকে মাদরাসা শামসুল উলূমের সাফল্য যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় ভর্তি শুরু আগামীকাল আল হাইআতুল উলইয়ায় জামিআ রাব্বানিয়ার অসাধারণ ফলাফল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে এ পর্যন্ত আহতের সংখ্যা জানাল ইসরায়েল ৭ ও ৮ শাওয়াল ভর্তি নেবে জামেআ হাকীমুল উম্মত  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ইমামসহ দুজনের দাওরায়ে হাদিসে ছাত্রীদের মধ্যে মেধা তালিকায় সেরা দশে যারা যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের চলমান সংঘাত মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসছে পাকিস্তান বেফাকের পর হাইয়াতুল উলয়ায়ও ঢালকানগর মাদরাসার ঈর্ষণীয় ফলাফল

জুমআর দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করার ফজিলত


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জুমআর দিন মুসলিম উম্মাহর জন্য রয়েছে ফজিলতপূর্ণ অনেক আমল। এগুলোর মধ্যে একটি আমল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তা হচ্ছে জুমআর দিনে ‘সুরা কাহফ’ তেলাওয়াত। পবিত্র কুরআনুল কারিমের ১৫তম পারার ১৮নং সুরা এটি। যদি কেউ সম্পূর্ণ সুরাটি তেলাওয়াত করতে না পারে তাহলে এ সুরার প্রথম এবং শেষ ১০ আয়াত তেলাওয়াত করলেও অনেকটা ফজিলত পাবে। এ সুরা তেলাওয়াতের ফজিলত বর্ণনা করে হাদিসে এসেছে-

‘যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা আল কাহাফ পড়বে, তার ইমানের নুর এ জুমাহ থেকে আগামী জুমাহ পর্যন্ত চমকাতে থাকবে। (মিশকাত ২১৭৫)’

‘যে ব্যক্তি সূরা আল কাহাফ এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে তাকে দাজ্জালের অনিষ্ট হতে নিরাপদ রাখা হবে। (মুসলিম) (মিশকাত)’

‘যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এমন একটি নুর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করে দিবে। আর যে ব্যক্তি এ সুরার শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’ (সিলসিলায়ে সহীহা -২৬৫১)।

‘যে ব্যক্তি জুমার রাতে সুরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য স্বীয় অবস্থানের জায়গা হতে পবিত্র মক্কা পর্যন্ত একটি নুর হবে।’ (সহীহ তারগীব ওয়াত্ তারহীব - ৭৩৬)।

‘জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করিলে কিয়ামত দিবসে তার পায়ের নীচ থেকে আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত নূর আলোকিত হবে এবং দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ মাফ হবে।’ (আত তারগীব ওয়াল তারহীব- ১/২৯৮)

‘জনৈক ব্যক্তি সূরাহ আল কাহফ পড়ছিল। তখন লোকটি তাকিয়ে দেখতে পেল একখণ্ড মেঘ তাকে পরিবেষ্টন করে নিয়েছে। বারা ইবনু আযিব বর্ণনা করেছেন যে, লোকটি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম এর কাছে বললেন। তিনি তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, হে অমুক তুমি সুরাটি পড়তে থাক। কারণ এটি ছিল আল্লাহর রহমত বা প্রশান্তি যা কোরআন তেলাওয়াতের কারণে বা কোরআন তেলাওয়াতের জন্য অবতীর্ণ হয়েছিল।’ (মুসলিম- ১৭৪২)।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ