মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮


সংস্কার ছাড়া শুধু সংবিধান সংশোধন যথেষ্ট নয়: মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: আওয়ার ইসলাম

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা, সংবিধান সংস্কার এবং ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যসহ নানা সমসাময়িক ইস্যুতে খোলামেলা কথা বলেছেন খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী। আওয়ার ইসলাম ২৪ ডটকমের পক্ষে সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন মাল্টিমিডিয়া প্রধান তানবিরুল হক আবিদ।

আওয়ার ইসলাম: আপনারা ১১ দল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। রাজনীতিতে বর্তমানে আপনাদের অবস্থান কোথায়?

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: ১১ দল থেকে আমাদের বের হওয়া বা ঢোকার বিষয়টি আগে বুঝতে হবে। ১১ দলের সাথে আমাদের একটি রাজনৈতিক সমঝোতা ছিল। ওই দলগুলোর সাথে আমরা কোনো জোটবদ্ধ আন্দোলন করিনি। সুতরাং এটি ছিল অনেকটা নির্বাচনকেন্দ্রিক। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর আমরা এটাকে আর কন্টিনিউ করিনি। নির্বাচনের পরও দুয়েকটি প্রোগ্রামে আমাদের একত্র হওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা আমাদের দল থেকে মনে করি যে, আমরা নির্বাচনী সমঝোতা আর চালিয়ে যাচ্ছি না।

বর্তমান অবস্থান বলতে, স্বাভাবিকভাবেই আমরা বিরোধী দলে আছি। আমরা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করছি। অন্য যারা বিরোধী দল আছে জামায়াতসহ, তাদের সাথে অনেক দাবি দাওয়া বা মতের মিল আমাদের রয়েছে। কিন্তু আমরা ওইভাবে আর তাদের সাথে জোটবদ্ধ মনে করি না নিজেদেরকে। আমরা এখন নিজেদের দল নিয়ে আলাদা চলছি।

আওয়ার ইসলাম: আপনাদের দৃষ্টিতে এখনো যারা জোটে আছে, নির্বাচনের পরও কি জোটে থাকার প্রয়োজনীয়তা আছে?

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: দেখুন, আমরা যেহেতু জোটে নাই, সুতরাং আমরা বলব জোটে থাকার প্রয়োজনীয়তা নাই। আর যারা আছেন, তারা অবশ্যই বিবেচনা করেছেন যে তাদের থাকার প্রয়োজন আছে, সে জন্যই তো উনারা আছেন। সুতরাং আমার দৃষ্টিতে আমি আমার কথাই বলব। উনারা উনাদের দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে চলছেন এবং সেভাবেই উনাদের বক্তব্য দিচ্ছেন।

আওয়ার ইসলাম: হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে কওমি ধারার রাজনৈতিক দলগুলোর একটি ঐক্যের আলোচনা উঠেছিল এবং মাঝে এটি একটু ধীরগতির হয়েছিল। বর্তমানে এর কী অবস্থা?

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: ইতোমধ্যে উনারা হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দলের কাছে লিখিত চিঠি দিয়েছিলেন। আমরা সেগুলোর জবাবও দিয়েছি। এরপর ওই কমিটির নেতারা নিজেরা বসেছেন। বসে কী কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বা কীভাবে কী করেছেন, এগুলো কিন্তু এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। আগামী ২৪ তারিখের দিকে বাবুনগরে একটি বৈঠক হওয়ার কথা আছে। সেখানে হয়তো উনারা জানাবেন এবং এগুলোর ব্যাপারে আমরা আমন্ত্রণও পেয়েছি। এখন কী প্রক্রিয়া বা কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তা আপনারা পরে জানতে পারবেন হয়তো।

আওয়ার ইসলাম: সংবিধান সংস্কারের যে বৈঠক হয়েছিল, আপনারা সেটি বর্জন করেছেন। এর কারণ আসলে কী?

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: আজকের যে বৈঠক হয়েছে এবং আগেও হয়েছে, আমরা তো সংবিধান সংশোধনের বৈঠক চাচ্ছি না। আমরা এবং সকল বিরোধী দল সংবিধানের সংস্কার চাই। আর সংশোধন চাই না। সংশোধন মানে হলো, আমার জামায় একটু ছিঁড়ে গেছে, সেটা একটু সেলাই করে ঠিক করে আবার পরলাম। আমরা চাচ্ছি সমস্ত বিরোধী দলগুলোর আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যমত কমিশনের বৈঠকে বিষয়গুলোকে সংস্কার করা।

একেবারে সংস্কার করার যে অনুভব করা হয়েছে, সেগুলো থেকে বিএনপি এখন একটু বেরিয়ে আসছে। যার কারণে উনারা সংশোধন কমিটি করেছেন। আমরা মনে করি না যে সকল দলের ঐক্যবদ্ধ মতামতের ভিত্তিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করা গেছে, তা শুধু সংশোধন করলে হবে। পূর্ণ সংস্কারের জন্য জনগণ গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং সেই রায়টা বাস্তবায়ন করলে সংবিধান সংস্কার হবে, সংশোধন না। আমরা সংস্কারের পক্ষে, সংশোধনের পক্ষে না।

আওয়ার ইসলাম: বিএনপি বা বর্তমান সরকার কি জুলাই ম্যান্ডেট বাস্তবায়ন করতে পারবে বলে আপনার মনে হয়?

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: আমরা মনে করি যে তাদের বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। এখন এই প্রয়োজনটা তারা কতটুকু তাড়াতাড়ি বুঝবে বা কীভাবে করবে, তা তাদের দেখার বিষয়। ইদানীং দেখুন, এটার কারণে বিরোধী দল মাঠে ময়দানে কথা বলার সুযোগ পেয়েছে। কারণ এটার পক্ষে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাস্তবায়নের পক্ষে তারাও বক্তব্য দিয়েছেন। এগুলো না করার কারণে বিরোধী দল মাঠের প্রোগ্রাম দিতে পারছে।

আর এই মাঠের প্রোগ্রামের ওপর ভর করে কিন্তু বিতাড়িত আওয়ামী লীগের কিছু নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ বা অন্যরা চোরাগোপ্তা মিছিল ও হামলা করে দেশটাকে একটি অস্থিতিশীল অবস্থা করার চেষ্টা করছে। যেই আওয়ামী লীগকে হটানোর জন্য জামায়াত, বিএনপি ও অন্যান্য সকল বিরোধী দল সবার চেষ্টায় আমরা এই কাজটা করতে পেরেছি এবং দেশ থেকে তারা পালিয়ে গেছে। এখন এই দেশটা রক্ষা করার জন্য কিন্তু সকলের ঐক্য প্রয়োজন। সেই ঐক্যটা যদি বিনষ্ট হয়, তখন কিন্তু আমাদের ওই স্বৈরাচাররা আবার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। সুতরাং তারা যদি এই সুযোগ দেয়, তাহলে আমাদের সকলের জন্যই একটি অকল্যাণ বয়ে আনবে বলে আমি মনে করি।

আওয়ার ইসলাম: বর্তমান দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী বা কীভাবে দেখছেন এটাকে?

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: বর্তমান পরিস্থিতি যদি বলেন, তাহলে তো দেখছেন দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, অগণতান্ত্রিক হত্যাকাণ্ড, আরো বিভিন্ন জায়গায় শিশুদের এভাবে হত্যা করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অনেক জায়গাতেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে পতিত সরকারের কিছু লোক তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের পক্ষে কাজ করছে বলে গণমাধ্যমের খবরে আমরা জানতে পারছি।

সরকার মাত্র ক্ষমতায় বসেছে, তারা অন্তত পাঁচ বছর কন্টিনিউ করুক, জনগণের পক্ষে কাজ করুক। জনগণের পক্ষে বলতে গ্যাস নাই, বিদ্যুৎ নাই, তেলের অভাব, সবকিছুর কারণে চাঁদাবাজি একটি মহামারিতে পরিণত হয়েছে। এখন বিদেশ থেকে চাঁদা চায় এবং যারা যায়, এদেরকে আশেপাশের থানা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরাও নিয়ন্ত্রণ করার সাহস পায় না। সরকার যদি জনস্বার্থে এই কাজগুলো করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণের আস্থা তো সরকার হারিয়ে ফেলবে। জনগণের আস্থা হারিয়ে ফেললে তখন আমাদের সবার ভাগ্যেই আবার বিপর্যয় নেমে আসবে।

সুতরাং জনগণের আস্থা এবং দ্রব্যমূল্যের কথা দেখেন, দ্রব্যমূল্য কত বেড়ে গেছে! সরকার বিভিন্ন কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়েছে। এগুলোর প্রতি সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না। এগুলো যদি না করতে পারে, তাহলে আমরা মনে করি সরকারের সময় পার করা খুব কঠিন হয়ে পড়বে।

আওয়ার ইসলাম: আমরা প্রায়ই দেখি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামি দলগুলোর মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি বা কথা কাটাকাটি হয়ে থাকে। এটি আমাদের ইসলামি রাজনীতির ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করে বলে মনে হয়। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ কী?

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: পরস্পর কাদা ছোড়াছুড়ি করা কারো জন্যই কোনো দিন কল্যাণ বয়ে আনবে না। গঠনমূলক কোনো কথা থাকলে সমালোচনা গঠনমূলক করা যায়। এখন আমাদের দেশে মনে করেন কিছু দল আছে, যারা রাজনীতিকে ধর্ম দিয়ে মোকাবিলা করার চেষ্টা করছে। কারণ ১৮ দলীয় যে জোট হয়েছিল, এটা অনেকটা নির্বাচনি জোট। এই জোটের কারণে কেউ কারো আদর্শকে কিন্তু গ্রহণ করেনি। সুতরাং আপনার সাথে আমি কিছুক্ষণ চললাম, এরপর আপনার পথে আপনি বাড়ি গেলেন, আমি আমার পথে চলে গেলাম। এটার জন্য আপনার আদর্শ আমি গ্রহণ করে ফেলিনি।

জামায়াত সম্পর্কে আমাদের দেশের আলেম ওলামা বা বিভিন্ন দলের বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য থাকতে পারে, গঠনমূলক সমালোচনা থাকতে পারে। কিন্তু জামায়াতের সাথে জোট এ দেশে কিন্তু শুধু এই বছর যে একটা সমঝোতা হয়েছে, এমন না। এর আগে বিএনপিসহ ১৮ দলের একটি জোট ছিল। শুরুতে চার দলীয় ঐক্যজোট ছিল। জামায়াত তো ওইসব জোটেও ছিল এবং সেই সময়ে আমাদের আলেম ওলামাদের দলও এই দলের মধ্যে ছিল। কিন্তু তারপরও তো দীর্ঘদিন গেছে, কেউ জামায়াতের আদর্শে আদর্শবান হয়নি। জামায়াতের সাথে কেউ বিলীন হয়ে যায়নি।

তাই আমাদের এখন সম্মানিত বিভিন্ন দলের নেতারা এক দল সম্পর্কে আরেক দলের সমালোচনা করতে গিয়ে দেখা যায় যে, আমরা মনে হয় অনেকটা মাত্রাতিরিক্ত কথা বলে ফেলি। যাতে আমাদের... আমি কোনো কারণে আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করতে পারি, কিন্তু সারা বছর সব ব্যাপারেই আপনার সাথে আমার দ্বিমত হবে না, এটাই স্বাভাবিক। সুতরাং এই যে আমরা নিজেদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে থাকি, তাহলে এটা ভবিষ্যতে আমাদের জন্য অকল্যাণ বয়ে আনবে। আমাদের প্রয়োজন হলো যতটুক কাছাকাছি টেনে সবাইকে রাখা যায়। দূরত্ব বাড়ানোর প্রয়োজন নেই।

আওয়ার ইসলাম: চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের সামগ্রিক রাজনীতির গুণগত মান উন্নত হয়েছে কি না বা রাজনীতিতে কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না?

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: দুঃখজনক হলো চব্বিশটা হলো কেন? দীর্ঘদিন মানুষ শেখ হাসিনার স্বৈরাচার, তার পতন, গণতন্ত্রের প্রতি তার যে আচরণ... যারা গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করে, তারা দেখল গণতন্ত্রের কোনো বিকাশ হয়নি, নির্বাচন ঠিকভাবে হয়নি। ওই সময় কিন্তু অনেক ধরনের দুর্নীতির চিত্রও সামনে এসেছে। যার কারণে মানুষ একটি অতিষ্ঠ ভাব নিয়ে ছাত্র জনতার ওই আন্দোলনকে সাফল্যমণ্ডিত করেছে এবং তাকে এক দফায় নিয়ে গেছে।

কিন্তু দুঃখ হলো এই জায়গায়, যেই কারণে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধাচরণ আমরা করলাম, এখন জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর যদি আমরা সেই আগের পথেই চলি, আগের মতোই চলি, প্রশাসন যদি সেই নামের পরিবর্তন হলো কিন্তু গুণগত কোনো পরিবর্তন হলো না, তাহলে এটার জন্য জাতির অনেক দুঃখজনক ব্যাপার হবে। জাতির প্রত্যাশা কিন্তু পূরণ হয়নি।

জাতির প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার প্রধান... আমরা মনে করি যে মাত্র ছয় মাস সরকারের হয়েছে, এটা খুব কম সময়ও বলা যায় না। সরকার কোন পথে কীভাবে হাঁটছে, এটা কিন্তু এখন দেখার বিষয়। এরপর বাকি সময় সরকার কীভাবে পার করবে? জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে সমাজকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। প্রশাসনের সব জায়গায় দুর্নীতি, সুদ, ঘুষ এগুলো থেকে সমাজকে বাঁচাতে হবে। দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানতে হবে। গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় যে চাহিদা, এগুলো সরকারকে মেটাতে হবে।

এখন বাজারে দিন দিন জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। কত শতাংশ মানুষ সরকারি চাকরি করে? এর বাইরে বিশাল জনগোষ্ঠী যারা সাধারণ প্রাইভেট কোনো জব করে বা ছোটখাটো ব্যবসা করে, তারা তো এই দ্রব্যমূল্যের কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সরকারের তো এগুলোর খোঁজখবর নিতে হবে। সরকার যদি এগুলোকে নিজে ডিল করতে না পারে, তাহলে জন-অসন্তোষ তৈরি হলে পরে আবার তো মানুষ রাজপথে নামবে।

রাজপথ দিয়ে সমাধান আমরা স্বৈরাচার দূর করেছি, কিন্তু পরবর্তীতে আমরা সরকার যদি সেভাবে পরিচালনা করতে না পারি... যেই কারণে ওই সরকারকে আমরা বিতাড়িত করেছি, সেই কারণগুলো যদি এই সরকারও করে, তাহলে পার্থক্যটা হলো কোথায় আমাদের?

আওয়ার ইসলাম: সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। খেলাফত মজলিসের প্রস্তুতি কতটুকু?

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: সামর্থ্যের আলোকে আমাদের যে যে জায়গায় সম্ভব, আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। সম্ভবত এখানে কোনো সমঝোতাও হচ্ছে না, জোট তো নাই। সুতরাং প্রত্যেক দল তাদের মতো করে করবে, আমরাও আমাদের মতো করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করব।

আওয়ার ইসলাম: সবশেষে দেশবাসীর উদ্দেশে কী বলবেন?

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: দেশবাসীকে তো আমরা বলি যে আসলে দেশের মানুষ খুব কষ্টে আছে। তো আমি মনে করি যে জনগণ সবাই নিজেদের জায়গা থেকে দেশের কল্যাণ, দেশের মঙ্গল যেভাবে হয় এবং সচেতনতার সাথে সবাইকে চোখ কান খোলা রেখে চলতে হবে। যে জায়গায় সরকারের ভালো কাজ, সেটাকে সবাই সহযোগিতা করবে। আর যেই জায়গায় সমস্যা মনে করে, জনগণ যাতে সেখানে তাদের মতামত প্রকাশ করে। এটি অত্যন্ত প্রয়োজন।

আওয়ার ইসলাম: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী: ধন্যবাদ, আসসালামু আলাইকুম।

এসএইচ/ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ