আজ শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮। সৌদি আরবের মক্কার পবিত্র মসজিদে হারাম ও মদিনার মসজিদে নববিতে আজ জুমার নামাজ পড়াবেন দুজন প্রখ্যাত ইসলামী ব্যক্তিত্ব।
পবিত্র মসজিদুল হারামে জুমার নামাজের ইমামতি করবেন শায়খ ড. বানদার বিন আবদুল আজিজ বালিলাহ। আর মসজিদে নববীতে ইমামতি করবেন শায়খ আবদুল মুহসিন বিন মুহাম্মাদ আল-কাসিম।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক্সের বার্তায় পবিত্র দুই মসজিদ তত্ত্বাবধানকারী কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। জানা যায়, প্রতি সপ্তাহের মতো আজকের জুমার খুতবাও সরাসরি সম্প্রচার হবে।
মসজিদে হারামে শায়খ ড. বানদার বালিলাহ
আজ মক্কার পবিত্র মসজিদে হারামে জুমার নামাজের ইমামতি করবেন শায়খ ড. বানদার বিন আবদুল আজিজ বালিলাহ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে হারামের ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর সুললিত কোরআন তেলাওয়াত ও হৃদয়স্পর্শী খুতবার জন্য তিনি মুসলিম বিশ্বের কাছে পরিচিত। শায়খ বানদার বালিলাহ সৌদি আরবের মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামি আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে ইসলামি ফিকহে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং মদিনার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
মসজিদে হারামের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি মক্কার বিভিন্ন মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে পবিত্র মসজিদে হারামের ইমাম ও খতিব হিসেবে নিযুক্ত হন। তাঁর কোরআন তেলাওয়াত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
মসজিদে নববিতে শায়খ ড. আবদুল মুহসিন আল-কাসিম
অন্যদিকে মদিনার পবিত্র মসজিদে নববিতে আজ জুমার নামাজের ইমামতি করবেন শায়খ কারি আবদুল মুহসিন বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল-কাসিম। তিনি মসজিদে নববির ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিচার বিভাগীয় দায়িত্বেও নিয়োজিত রয়েছেন। শায়খ আল-কাসিম ইমাম মুহাম্মাদ বিন সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ফিকহে মাস্টার্স এবং ইসলামি ফিকহে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
কোরআনের সুমধুর ও হৃদয়গ্রাহী তেলাওয়াতের কারণে তিনি সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপকভাবে পরিচিত। কেরাত ও কোরআন তেলাওয়াতসংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।
পবিত্র মক্কা ও মদিনায় প্রতি সপ্তাহের জুমা মুসলিম বিশ্বের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। বিশ্বের নানা প্রান্তের মুসল্লিরা সরাসরি কিংবা বিভিন্ন সম্প্রচারমাধ্যমে হারামাইনের খুতবা ও নামাজের দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন। দুই পবিত্র মসজিদের ইমামদের তেলাওয়াত ও খুতবার মাধ্যমে তারা ইসলামের নানা শিক্ষা ও নসিহত শোনার সুযোগ পান।
এসএইচ/