মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনের নিন্দা হেফাজতে ইসলামের ‘ইসলামী আন্দোলনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষের আস্থা ধরে রাখা’ ‘ছাত্র-জনতার রক্ত নিয়ে তামাশা করতে কাউকে সংসদে পাঠানো হয়নি’ হারাম দৃষ্টি কেড়ে নেয় হালাল সৌন্দর্য মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের  সব আলিয়া মাদরাসায় প্রতিদিন পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক নওমুসলিমদের পুনর্বাসনে খাইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের অনন্য উদ্যোগ প্রতিবাদের ভাষায় অশ্লীলতা: সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন সংকট মাদরাসা শিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর আওয়াবিন নামাজের ফজিলত ও নিয়ম

তীব্র দাবদাহে খোলা ফ্রান্সের মসজিদগুলোর দুয়ার, মিলছে স্বস্তি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত ইউরোপের দেশ ফ্রান্স। এই চরম আবহাওয়ার মধ্যে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে দেশটির বেশ কয়েকটি মসজিদ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত মানুষের জন্য মসজিদের দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নেওয়া মানুষের জন্য রাখা হয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিশ্রামের ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং হালকা আপ্যায়নের আয়োজন।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের পূর্বাঞ্চলীয় শহরতলি মঁত্রইয়ের (Montreuil) কয়েকটি মসজিদ এই উদ্যোগ নিয়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে ফরাসি কর্তৃপক্ষ যখন একের পর এক স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করছে, ঠিক তখনই স্থানীয় মসজিদ কর্তৃপক্ষ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মসজিদ সবার জন্য খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। বিশেষ করে বয়স্ক, পথচারী এবং দাবদাহে অসুস্থ বোধ করা মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মসজিদের নামাজের কক্ষগুলো সাময়িকভাবে বিশ্রামকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কেউ চেয়ারে বসে বিশ্রাম নিচ্ছেন, আবার কেউ শীতল কার্পেটে শুয়ে ক্লান্তি দূর করছেন। স্বেচ্ছাসেবীরা আগতদের হাতে ঠান্ডা পানির বোতল ও খেজুর তুলে দিচ্ছেন।

মঁত্রই মুসলিম কাউন্সিলের সভাপতি হাসান হারমুজ বলেন, দাবদাহের মধ্যে রাস্তায় মানুষকে কষ্ট করতে দেখে আমাদের এই উদ্যোগের কথা মাথায় আসে। অনেকেই একটু শীতল জায়গার খোঁজ করছিলেন। তখন আমরা সিদ্ধান্ত নিই, মসজিদের দরজা সবার জন্য খুলে দেব।

তিনি আরও জানান, টানা ১০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা তাপপ্রবাহের পুরো সময়জুড়েই মসজিদগুলো খোলা রাখা হয়েছে। উন্নত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে মসজিদের ভেতরের পরিবেশ আরামদায়ক থাকায় বাইরে থেকে আসা মানুষ সেখানে স্বস্তি পাচ্ছেন।

দাবদাহের এই সময়ে মসজিদগুলোর এমন উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। অনেকেই এটিকে মানবিক সহমর্মিতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

/আইও


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ