বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৩০ সফর ১৪৪৮


হারামাইনের এ সপ্তাহের খতিব শায়খ সালেহ ও শায়খ খালেদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদ—মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে আগামীকাল শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬ (১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি) জুমার নামাজের ইমামতি করবেন সৌদি আরবের দুই বিশিষ্ট আলেম—শায়খ ড. সালেহ বিন আবদুল্লাহ বিন হুমাইদ ও শায়খ ড. খালেদ বিন সুলাইমান আল-মুহান্না।

মসজিদুল হারামে জুমার নামাজে ইমামতি ও খুতবা প্রদান করবেন শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মসজিদুল হারামের ইমাম, খতিব ও শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সৌদি আরবের সরকারি তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম সৌদিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১৯৫০ সালে কাসিম প্রদেশের বুরাইদাহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিকহ ও উসুলুল ফিকহে পিএইচডি অর্জন করেন।

শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ ১৯৮৪ সালে মসজিদুল হারামের ইমাম হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিযুক্ত হন। তিনি সৌদি আরবের শূরা কাউন্সিলের সদস্য ও পরবর্তী সময়ে এর স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, দুই পবিত্র মসজিদের বিষয়ক কর্তৃপক্ষের প্রধান এবং বর্তমানে রাজকীয় দরবারের উপদেষ্টা ও সৌদি আরবের কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলার্সের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি আন্তর্জাতিক ইসলামি ফিকহ একাডেমিরও সভাপতি এবং ইসলামি জ্ঞান ও দাওয়াহ বিষয়ক একাধিক গ্রন্থের লেখক। ইসলামের সেবায় অবদানের জন্য ২০১৬ সালে কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন।

অন্যদিকে, মসজিদে নববীতে জুমার নামাজের ইমামতি করবেন শায়খ ড. খালেদ বিন সুলাইমান আল-মুহান্না। তিনি মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিব হিসেবে পরিচিত। তাঁর কুরআন তেলাওয়াত, তাজবিদ ও খুতবার জন্য মুসলিম বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-রিয়াদের প্রতিবেদনেও তাঁকে মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শায়খ খালেদ আল-মুহান্না ১৩৯৬ হিজরিতে (প্রায় ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দ) সৌদি আরবের আল-আহসা এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। পরে তাঁর পরিবার রিয়াদে চলে যায়। রিয়াদে তিনি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং এ সময় কুরআন হিফজ ও তাজবিদে দক্ষতা অর্জন করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন আলেমের কাছে তিনি শরিয়াহ ও কুরআন-সুন্নাহর জ্ঞান অধ্যয়ন করেন।

১৪৩৬ হিজরিতে সৌদি বাদশাহর অনুমোদনে তাঁকে মসজিদে নববীতে তারাবির নামাজে ইমামতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর তিনি মসজিদে নববীর নিয়মিত ইমাম ও খতিবদের একজন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর তেলাওয়াতে তাজবিদের শুদ্ধতা ও স্পষ্টতার বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ