রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ।। ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৭ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে আমিরাত-কুয়েতে চার দিনের রাষ্ট্রীয় শোক মাদরাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানহানিকর অভিযোগ, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি চিন্তাবিদ আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী ঢাকায় ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ইন্তেকালে ইসলামি দলগুলোর শোক চট্টগ্রামের বন্যায় ঘরহারা ৩০০ পরিবারকে ঘর করে দেবে আস-সুন্নাহ জোট মানে নীরব সমর্থন নয়, সরকার ভুল করলে প্রতিবাদ করব: জমিয়ত মহাসচিব দাওরায়ে হাদিসের ‘তাকরির’ বিষয়ে আল-হাইআতুল উলয়ার জরুরি নির্দেশনা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় রংপুরের খতমে নবুওয়ত সম্মেলন স্থগিত মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস

তালেবান সরকারের সঙ্গে ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারত্ব’ গড়ে তুলছে রাশিয়া


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আফগানিস্তানের বর্তমান তালেবান সরকারের সঙ্গে রাশিয়া ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারত্ব’ প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা। একই সঙ্গে অঞ্চলটির অন্যান্য দেশকেও কাবুলের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে মস্কো।

রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সের বরাতে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এ তথ্য জানান রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব সের্গেই শোইগু। তিনি বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য কাবুলের সঙ্গে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২০২১ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বাহিনীর প্রত্যাহারের পর তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে গত বছর তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশ হয় রাশিয়া।

শোইগু জানান, মস্কো বর্তমানে তালেবান সরকারের সঙ্গে ‘বাস্তবধর্মী সংলাপ’ চালিয়ে যাচ্ছে। এ সহযোগিতার আওতায় নিরাপত্তা, বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও মানবিক সহায়তার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও)-এর সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে বক্তব্য দেন। ১০ সদস্যের এই জোটে চীন, ভারত, ইরান, পাকিস্তানসহ সাবেক কয়েকটি সোভিয়েত রাষ্ট্র রয়েছে।

বক্তব্যে শোইগু আরও বলেন, আফগানিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদারে এসসিওর যোগাযোগ গ্রুপ পুনরায় সক্রিয় করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে রাশিয়া তালেবানকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করেছিল। তবে ২০২৫ সালের এপ্রিলে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। মস্কোর ধারণা, আফগানিস্তান থেকে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত বিস্তৃত উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলোর নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় কাবুলের সঙ্গে সহযোগিতা এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে উর্দু

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ