রবিবার, ৩১ মে ২০২৬ ।। ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‎‎গফরগাঁওয়ে ইমামের ওপর হামলার প্রতিবাদে নাগরিক বিক্ষোভ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তিন দিনে সাভার ট্যানারিতে ঢুকল ৫ লাখের বেশি চামড়া হাজিদের সেবায় ‘মন্ত্রী’ হিসেবে নয় ‘খাদেম’ হিসেবে কাজ করেছি: ধর্মমন্ত্রী আদ্-দ্বীনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘ঘাতকরা জিয়াউর রহমানকে হত্যা না করলে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হতো’  নেদারল্যান্ডসে মসজিদে হামলা-ভাঙচুর  পাক মুলুকে আমাদের ঈদ সমাচার গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু ‘স্বপ্ন বহুদূর’-এর উদ্যোগে দরিদ্র পরিবারে কুরবানির গোশত বিতরণ ‘শহীদ জিয়ার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে’ 

ইরানে ভয়াবহ খরা, তীব্র পানি সংকটের আশঙ্কা তেহরানে 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইরানের দেখা দিয়েছে দীর্ঘ ভয়াবহ খরা। যারফলে রাজধানী তেহরানের বাসিন্দাদের জন্য খাওয়ার পানির প্রধান উৎসগুলো দুই সপ্তাহের মধ্যে শুকিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

রোববার বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, তেহরানের জন্য খাওয়ার পানি সরবরাহকারী পাঁচটির মধ্যে একটি আমির কবির বাঁধে মাত্র ১৪ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি রয়েছে, যা এর ধারণক্ষমতার মাত্র আট শতাংশ।’

তেহরানের পানি কর্তৃপক্ষের পরিচালক বেহজাদ পারসা জানান, মাত্র দুই সপ্তাহ এই পানি দিয়ে তেহরানের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

মাদুরোর সময় ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিমাদুরোর সময় ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান বর্তমানে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরার মুখোমুখি। গত মাসে এক স্থানীয় কর্মকর্তা বলেছিলেন, তেহরান প্রদেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় এক শতাব্দীতে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।

আলবোরজ পর্বতমালার দক্ষিণ ঢালে অবস্থিত তেহরান শহরটিতে ১ কোটিরও বেশি মানুষ বসবাস করেন। এসব পর্বত থেকেই নদী বয়ে এসে শহরের একাধিক জলাধারে পানি যোগায়।

গত বছর এই আমির কবির ড্যামেই ৮ কোটি ৬০ লাখ ঘনমিটার পানি ছিল। কিন্তু এ বছর তেহরান অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ‘সম্পূর্ণভাবে বন্ধ’ হয়ে গেছে বলে জানান পারসা। তিনি অবশ্য অন্য জলাধারগুলোর অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ