রবিবার, ৩১ মে ২০২৬ ।। ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‎‎গফরগাঁওয়ে ইমামের ওপর হামলার প্রতিবাদে নাগরিক বিক্ষোভ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তিন দিনে সাভার ট্যানারিতে ঢুকল ৫ লাখের বেশি চামড়া হাজিদের সেবায় ‘মন্ত্রী’ হিসেবে নয় ‘খাদেম’ হিসেবে কাজ করেছি: ধর্মমন্ত্রী আদ্-দ্বীনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘ঘাতকরা জিয়াউর রহমানকে হত্যা না করলে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হতো’  নেদারল্যান্ডসে মসজিদে হামলা-ভাঙচুর  পাক মুলুকে আমাদের ঈদ সমাচার গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু ‘স্বপ্ন বহুদূর’-এর উদ্যোগে দরিদ্র পরিবারে কুরবানির গোশত বিতরণ ‘শহীদ জিয়ার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে’ 

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ৯৭ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাজা উপত্যকায় কার্যকর যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হামলা চালিয়ে অন্তত ৯৭ ফিলিস্তিনিকে হত্যা ও ২৩০ জন আহত করেছে বলে জানিয়েছে গাজা সরকার। রোববার (১৯ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর ইসরায়েল কর্তৃক ২১টি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

খবর আনাদোলু এজেন্সির।
গাজা সরকারের মিডিয়া উইং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী ৮০টি প্রমাণিত লঙ্ঘন করেছে। সবগুলোই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন।

এসবের মধ্যে ছিল বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে গুলি, গোলাবর্ষণ, ইচ্ছাকৃত টার্গেট হামলা, ‘আগুনের বেল্ট’ তৈরি এবং সাধারণ মানুষকে আটক করা।

গাজা সরকারের দাবি, এসব হামলায় ইসরায়েলি বাহিনী ব্যবহার করেছে সাঁজোয়া যান, আবাসিক এলাকার প্রান্তে অবস্থানরত ট্যাংক, দূরনিয়ন্ত্রিত টার্গেটিং সিস্টেমসমৃদ্ধ ইলেকট্রনিক ক্রেন, যুদ্ধবিমান এবং কোয়াডকপ্টার ড্রোন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গাজা উপত্যকার সব জেলাতেই এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা প্রমাণ করে দখলদার বাহিনী যুদ্ধবিরতি মানছে না বরং আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে হত্যাযজ্ঞ ও সন্ত্রাসের নীতি চালিয়ে যাচ্ছে।

গাজা সরকার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে এসব লঙ্ঘনের জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী করেছে এবং জাতিসংঘ ও যুদ্ধবিরতি চুক্তির গ্যারান্টর দেশগুলোকে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার ভিত্তিতে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি গত ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, পারস্পরিক বন্দি বিনিময়, অবিলম্বে মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণের শর্ত রাখা হয়েছে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ