রবিবার, ৩১ মে ২০২৬ ।। ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‎‎গফরগাঁওয়ে ইমামের ওপর হামলার প্রতিবাদে নাগরিক বিক্ষোভ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তিন দিনে সাভার ট্যানারিতে ঢুকল ৫ লাখের বেশি চামড়া হাজিদের সেবায় ‘মন্ত্রী’ হিসেবে নয় ‘খাদেম’ হিসেবে কাজ করেছি: ধর্মমন্ত্রী আদ্-দ্বীনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘ঘাতকরা জিয়াউর রহমানকে হত্যা না করলে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হতো’  নেদারল্যান্ডসে মসজিদে হামলা-ভাঙচুর  পাক মুলুকে আমাদের ঈদ সমাচার গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু ‘স্বপ্ন বহুদূর’-এর উদ্যোগে দরিদ্র পরিবারে কুরবানির গোশত বিতরণ ‘শহীদ জিয়ার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে’ 

ইসলাম ভারতের অংশ এবং ভবিষ্যতেও থাকবে: আরএসএস প্রধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস) প্রধান মোহন ভগবত বলেছেন, ইসলাম আসার পর থেকেই ভারতের অংশ এবং ভবিষ্যতেও তা থাকবে। যারা বিষয়টি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেন, তারা হিন্দু দর্শন বোঝেন না।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) নয়া দিল্লিতে আরএসএসের শতবর্ষী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।

ভগবত বলেন, ‘যারা মনে করে ইসলাম থাকবে না, তারা হিন্দু চিন্তাধারায় পরিচালিত নয়। হিন্দু দর্শন এভাবে চিন্তা করে না। উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা থাকলেই এই সঙ্ঘাতের অবসান হবে। প্রথমত, আমাদের মেনে নিতে হবে যে আমরা সবাই এক।’

তিনি ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে। সরকার কিছু প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে বসবাসকারী মুসলমানরাও এ দেশের নাগরিক। তাদেরও কর্মসংস্থানের প্রয়োজন। আপনি যদি মুসলমানদের চাকরি দিতে চান, তাহলে আমাদের নিজস্ব নাগরিকদের চাকরি দিন। আমরা কেন বাইরে থেকে আসা লোকদের চাকরি দেব? তাদের দেশকে তাদের দায়িত্ব নিতে হবে।’

আরএসএস প্রধান উৎসবের সময় ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘উপবাসের সময় মানুষ নিরামিষ থাকতে পছন্দ করে। যদি সেই দিনগুলোতে কিছু দৃশ্য উপস্থাপন করা হয়, তাহলে অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে। এটা মাত্র দুই বা তিন দিনের ব্যাপার। সেই সময়কালে এই ধরনের অভ্যাস এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ। তাহলে কোনো আইনের প্রয়োজন হবে না।’

ভাগবত জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে বলেন, প্রতিটি ভারতীয় পরিবারের উচিত তিনটি সন্তানের বেশি না রাখা। তার ভাষায়, ‘জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রিত ও পর্যাপ্ত থাকা উচিত। এই দৃষ্টিকোণ থেকে তিনটি সন্তান থাকা উচিত, এর বেশি নয়। সকলেরই এটি মেনে নেয়া উচিত।’সূত্র: জিনিউজ

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ