শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ ।। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘নুরের ওপর হামলায় দেশের নেতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে ’ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবার নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: মির্জা ফখরুল জুলাই আন্দোলনের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে : খেলাফত মহাসচিব ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে: ইসলামী আন্দোলন মহাসচিব শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নববি মানস গঠনে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি: মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া জাতীয় পার্টিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধের দাবি রাশেদের তুরস্কে পালিত হলো ১০৩তম বিজয় দিবস, আতাতুর্কের সমাধিতে এরদোয়ানের শ্রদ্ধা এই ঐক্যজোট ওই ঐক্যজোট নয় ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে’ নুরের ওপর হামলা রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত: শিবির সভাপতি

গাজায় শহীদ ২৩৩ ইমাম, ক্ষতিগ্রস্ত ৮২৮টি মসজিদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে চলছে অবৈধ ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতা। তাদের এই বর্বরতা থেকে রেহাই মেলেনি ধর্মীয় অঙ্গনও। গাজার মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে চলমান হামলায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে এখন পর্যন্ত ২৩৩ জন ইমাম ও ইসলাম ধর্ম প্রচারক শহীদ হয়েছেন। এছাড়াও ৮২৮টি মসজিদ সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং ১৬৭টি মসজিদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

গাজার মিডিয়া অফিসের প্রধান ইসমাইল আল-থাওয়াবতেহ আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই আক্রমণগুলো পরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের ধর্মীয় পরিচয় ও জাতীয় ঐক্যকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ইমাম ও আলেমগণ শুধু ধর্মীয় নেতা নন; তাঁরা সমাজের দিকনির্দেশক, জাতীয় চেতনার ধারক এবং ঐক্যের প্রতীক। ইসরায়েল তাঁদের নির্মূল করে ফিলিস্তিনিদের আত্মিক শক্তিকেই ভেঙে দিতে চায়।’

এই হামলা থেকে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ও রেহাই পায়নি। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় তিনটি গির্জা ধ্বংস এবং ২১ জন খ্রিস্টান ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে গাজার মিডিয়া অফিস।

গাজার শতাব্দী প্রাচীন মসজিদ ও গির্জাগুলো ফিলিস্তিনিদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের জীবন্ত স্মারক। এসব স্থাপনা ধ্বংসের মাধ্যমে একটি জাতির অতীত ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সেতুবন্ধন ছিন্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও রোম স্ট্যাটিউট অনুযায়ী, ধর্মীয় স্থান, উপাসনালয় এবং ধর্মীয় নেতাদের ওপর ইচ্ছাকৃত হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল। যুদ্ধবিরতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের টানা আহ্বান এবং নিন্দার পরও ইসরায়েলের হামলা আরও তীব্রতর হচ্ছে, যার ফলে গাজায় মানবিক বিপর্যয় আরও গভীর আকার ধারণ করছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ ধরনের হামলার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত চালানোর আহ্বান জানিয়েছে, যাতে এসব অপরাধের দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায়। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ