বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

জান্তা -আরাকান আর্মির লড়াইয়ে রাখাইনে ১২ রোহিঙ্গা নিহত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী আরাকান আর্মির লড়াইয়ে অন্তত ১২ জন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর (ওএইচসিএইচআর)।

হামলায় আহত হয়েছেন ৩০ জন। শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) রাজ্যের হপোন নিও লেইক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এমন পরিস্থিতিতে গণহত্যা থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ফলকার টুর্ক।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) হাইকমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। তাতে বলা হয়, মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষে অনেক বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া বাস্তু-চ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে একের পর এক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে নির্বিচার হামলা চালাচ্ছে সামরিক বাহিনী।

বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বিদ্রোহী ও জান্তা বাহিনীর সংঘর্ষের জেরে গত অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৫৫৪ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আর গত বছরে সামরিক বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৬০০ জনের বেশি বেসামরিক মানুষ। সংখ্যাটা এর আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩০০ জন বেশি।

এমন সময় এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলো, যখন মিয়ানমারের অনেক অঞ্চল সামরিক বাহিনীর হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিভিন্ন সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী। এ নিয়ে ফলকার টুর্ক বলেছেন, সারা বিশ্বে চলমান নানা সংকটের মধ্যে এটা গুরুত্বপূর্ণ যে কারও কথা ভুলে যাওয়া হয়নি। মিয়ানমারের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন। গত বছরের অক্টোবর থেকে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

গতকাল বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইনের এলাকা-গুলোয় নতুন করে কোনো সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বান্দরবান জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ