বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পুকুরে গোসলে নেমে প্রাণ গেল দুই মাদরাসা ছাত্রের দুই হিন্দু অনাথ ভাইকে মানুষ করে বিয়ে দিলেন মুসলিম দম্পতি বিজয় দিবসে ৮ হাজার ২৯৯ বন্দিকে মুক্তি দিলো তালেবান সরকার ইউপি নির্বাচনে ফের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন রফিকুজ্জামান অনু নূরানী তালীমুল কুরআন বোর্ডের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি চলছে জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ফুটপাত দখল করে ব্যবসা নয়, নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত সংসদ মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ‘জাতিসংঘ সভাপতির পদ কোনো এক দেশের স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ নেই’ 

নেতৃত্বের অনুভূতি থাকা ব্যক্তিই প্রকৃত লিডার: আমিরে মজলিস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের মজলিসে শুরা আমের সদস্যদের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী ‘লিডারশিপ এক্সিলেন্স প্রোগ্রাম–২৬’ শুক্রবার (১৫ মে) বিকাল ৫টায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয় তাগলিবে দ্বীন মারকাজে শুরু হওয়া প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের মানোন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও নেতৃত্ব বিকাশে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, গ্রুপ ওয়ার্ক, লিখিত পরীক্ষা, উত্তীর্ণদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং এহতেসাব ও হেদায়াতি বক্তব্য অনুষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সভাপতি পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল্লাহ আশরাফ ও কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিভাগের সম্পাদক মাওলানা আল-আবিদ শাকিরের যৌথ পরিচালনায় আয়োজিত এ প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

আমিরে মজলিস বলেন, ‘যুব মজলিস নেতা তৈরি করে না, বরং দায়িত্বশীল তৈরি করে। প্রকৃত দায়িত্বশীল সে-ই, যে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন দায়িত্বশীল বা লিডারের মধ্যে নেতৃত্বের অনুভূতি থাকা জরুরি। একজন লিডার তার অধীনে সংঘটিত কাজের ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় নিজের কাঁধে নেবে এবং নিজের সীমাবদ্ধতাগুলো অধস্তনদের সামনে তুলে ধরবে, যাতে তাদের মধ্যেও দায়িত্বশীলতার অনুভূতি সৃষ্টি হয়।’

প্রোগ্রামের বিভিন্ন সেশনে বিষয়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন দেশের বিশিষ্ট আলেম, গবেষক ও সংগঠকবৃন্দ।

সংগঠন পরিচালনা, পরিকল্পনা ও ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা ইমদাদ আশরাফ।

‘বঙ্গের ইতিহাস ও আগামীর রাজনীতি’ বিষয়ে আলোচনা পেশ করেন বিশিষ্ট লেখক ও চিন্তাবিদ উস্তাদ মুসা আল হাফিজ।

সংগঠনের অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার কৌশল বিষয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় বাইতুল মাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান।

টিম বিল্ডিং ও কমিউনিকেশন বিষয়ে আলোচনা করেন আল্লামা মামুনুল হক হাফিযাহুল্লাহর ব্যক্তিগত পররাষ্ট্র বিষয়ক সচিব ফরিদ খান।

যুব মজলিসের কর্মসূচি সংক্রান্ত মৌলিক দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠন বিভাগের সম্পাদক মাওলানা মোশাররফ হুসাইন লাবীব।

এছাড়া দ্বিতীয় দিন দারসুল হাদিস পেশ করেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিভাগের সম্পাদক মুফতি শহিদুল ইসলাম।

প্রোগ্রামের শুরুতে কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ জাহিদুজ্জামান দারসুল কুরআন পেশ করেন।

নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা, পরিকল্পনা, যোগাযোগ ও আদর্শিক চেতনায় দায়িত্বশীলদের আরও সমৃদ্ধ ও কার্যকর করে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দ্বিতীয় দিনের সমাপনী অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন।

হেদায়েতী বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম।

সমাপনী বক্তব্য ও দোয়া পরিচালনা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা কুরবান আলী কাসেমী।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ