বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঈদের দিনে পরীক্ষা: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ জামাত, মুসল্লির সংখ্যা ৫! থেমে নেই ইসরায়েলি বিমান হামলা: নিহত আরও দুই ফিলিস্তিনি শরীয়তের আলোকে ঈদুল আজহার দিনের করণীয় ও বর্জনীয় ঈদ স্পেশাল গরুর গোশত রান্না করুন সহজেই পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ‘সাধারণ আলেম সমাজ’-এর ৭১ সদস্যের কমিটিতে যারা স্থান পেলেন

সীমান্ত হত্যা বন্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ চায় ইসলামী আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আবারও বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি বলেছে, সীমান্তে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশিদের হত্যাকাণ্ড দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানতে চেয়েছে দলটি।

রোববার (১০ মে) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সেপাহিজালা জেলার কমলাসাগর সীমান্ত ফাঁড়ি সংলগ্ন নবীনপাড়া ও বঙ্গবন্ধের মধ্যবর্তী এলাকায় এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হন। সীমান্তে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড নতুন নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতেও বহুবার একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার ঘটনা নিয়মিত ঘটত। বর্তমান সরকারের সময়েও সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি বলে মনে হচ্ছে। আমরা জানতে চাই, এই হত্যাকাণ্ডের পর সরকার কী ধরনের কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দেশের নাগরিকদের জীবন রক্ষা করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু সীমান্তে একের পর এক বাংলাদেশি হত্যার ঘটনা দেশের মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সরকারের ভূমিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, ঘটনার পর সরকারের প্রতিক্রিয়া ও কার্যকর উদ্যোগ দেখার জন্য তারা অপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ না দেখে জনগণের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধে সরকারকে দ্রুত ও কঠোর অবস্থান নিতে হবে। আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করতে হবে। দেশের মানুষ আর কোনো নতজানু পররাষ্ট্রনীতি দেখতে চায় না।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ