শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশব্যাপী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই উপলক্ষ্যে আজ ১০ এপ্রিল, শুক্রবার, জুমার নামাজ শেষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনীর সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশিদ সিদ্দিকীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমাদ বলেন, গণভোটের মাধ্যমে প্রকাশিত গণরায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, গণরায় উপেক্ষা করে কোনো সরকারই টিকে থাকতে পারেনি। সুতরাং গণভোটের রায় অমান্যকে কেন্দ্র করে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সরকারকেই এর সম্পূর্ণ দায়ভার বহন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের পক্ষে সুস্পষ্ট রায় প্রদান করেছে; কিন্তু সরকার সেই গণরায় উপেক্ষা করে সংবিধানের সীমিত সংশোধনের পথে অগ্রসর হচ্ছে, যা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। সংবিধান সংস্কার ছাড়া রাষ্ট্রব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়।

 তিনি উল্লেখ করেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে সংবিধানে মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোটের বাধ্যবাধকতা, নির্বাচন ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব হবে।

 অন্যদিকে, এই রায় উপেক্ষা করা হলে সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রতিষ্ঠানসমূহকে দলীয় নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করার পথ সুগম হবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নায়েবে আমীর মাওলানা মাহবুবুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা আবুল হাসান জালালী এবং বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য গাজি রহমতুল্লাহ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সহ-সভাপতি মাওলানা আবুল কাশেম মিয়াজী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু হানিফ নোমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্পাদক এইচ এম খোকন, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল আজিজ এবং বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদের সদস্য মাওলানা জাকির হোসাইন।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম এলাকা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এছাড়া আজ বাদ জুমা ও বাদ আসর চট্টগ্রাম মহানগর, নারায়ণগঞ্জ মহানগর, সিলেট মহানগর, ময়মনসিংহ মহানগর ও জেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, শরিয়তপুর, কক্সবাজার, ফেনী জেলা এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলাসহ সারাদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি পালিত হয়।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ