বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঈদের দিনে পরীক্ষা: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ জামাত, মুসল্লির সংখ্যা ৫! থেমে নেই ইসরায়েলি বিমান হামলা: নিহত আরও দুই ফিলিস্তিনি শরীয়তের আলোকে ঈদুল আজহার দিনের করণীয় ও বর্জনীয় ঈদ স্পেশাল গরুর গোশত রান্না করুন সহজেই পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ‘সাধারণ আলেম সমাজ’-এর ৭১ সদস্যের কমিটিতে যারা স্থান পেলেন

‘আমাদের প্রণীত বিভিন্ন আইনই ছিল প্রকৃত সংস্কারের ভিত্তি’ 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

দায়িত্বকালে আমাদের প্রণয়ন করা বিভিন্ন আইনই ছিল প্রকৃত সংস্কারের ভিত্তি। এসব আইন প্রণয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি এ দাবি জানান।
 
স্ট্যাটাসে তিনি মানবাধিকার কমিশন, গুমসংক্রান্ত আইন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসংক্রান্ত আইনকে উল্লেখযোগ্য সংস্কারমূলক উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: কওমি সিলেবাসে ‘সিরাত’ অবহেলার শিকার হওয়া বেদনাদায়ক: মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন

তিনি বলেন, ওই সময় অনেকেই সরকারের সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন এবং কেউ কেউ এসব উদ্যোগকে ‘অধ্যাদেশের সরকার’ বলে সমালোচনা করেছিলেন। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন মহল থেকে এসব আইন বহাল রাখার দাবিতে সোচ্চার হওয়া শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, সরকারের ভেতরে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেই এসব আইন প্রণয়ন করতে হয়েছে। আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় আইন মন্ত্রণালয়ের একটি দক্ষ দল দিনরাত কাজ করেছে, নিয়মিত গবেষণা ও আলোচনা হয়েছে এবং বারবার খসড়া সংশোধন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এমনকি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে পদত্যাগের হুমকি পর্যন্ত দিতে হয়েছিল বলেও জানান সাবেক এই উপদেষ্টা।

সাবেক উপদেষ্টা আরও বলেন, আমাদের বিশ্বাস এসব প্রচেষ্টা বৃথা যাবে না। রাজস্ব, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, তথ্যপ্রযুক্তি ও পরিবেশ খাতেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব আইন ভবিষ্যতেও বহাল রাখতে সবাই সচেতন থাকবেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ