মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২২ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৭ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
কার নির্দেশে ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়, জানাল ডিবি আ.লীগ ভারতের সেবাদাস সরকার ছিল: সালাহউদ্দিন ‘অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলার দৃশ্যমান উন্নয়ন জরুরি’ জমিয়তের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে কুমিল্লা জেলা নেতাদের সাক্ষাৎ গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিত করতে গুরুত্বারোপ প্রধান উপদেষ্টার কারসাজি করে এলপি গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে : জ্বালানি উপদেষ্টা সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসছে এনসিপি, নেতৃত্বে আসিফ মাহমুদ পথ আটকে বক্তার কাছে হাদিয়ার টাকা চাইল ডাকাতরা ভোট সংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান শিক্ষক সমিতির শাহবাগ থেকে শুরু হলো ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’

বাংলাদেশে আসছে ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা ‘পেপাল’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বাংলাদেশে আসছে ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা ‘পেপাল’। দেশের ফ্রিল্যান্সার, ই-কমার্স উদ্যোক্তা এবং আইটি খাতের বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে পেপালের আনুষ্ঠানিক আগমনের অপেক্ষায় ছিলেন। পেপাল একটি বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা, যার মাধ্যমে এর ব্যবহারকারীরা অনলাইনে টাকা পাঠানো-গ্রহণ, বিল পরিশোধ এবং আন্তর্জাতিক অনেক কেনাকাটা করতে পারেন।

ব্যবহারকারীর ব্যাংক বা কার্ডের সঙ্গে নিরাপদভাবে যুক্ত হয়ে এটি দ্রুত লেনদেন সম্পন্ন করে। পাশাপাশি এতে ক্রেতা-বিক্রেতার সুরক্ষা এবং রিফান্ড সুবিধাও রয়েছে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ব্যবসা এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ব্যবস্থায় বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশে পেপাল ব্যবহৃত হচ্ছে।

এবার গ্লোবাল পেমেন্ট সার্ভিস পেপাল খুব শিগগিরই বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে চায়, এটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে যুক্ত করতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহ্সান এইচ মনসুর।

আহ্সান এইচ মনসুর জানান, আন্তর্জাতিক ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম পেপাল বাংলাদেশে ব্যবসা করতে আগ্রহী। পেপাল চালু হলে দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সহজে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন এবং তাদের পেমেন্টও দ্রুত গ্রহণ করতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, ছোট উদ্যোক্তারা ব্যাংকের এলসি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ছোট চালান পাঠাতে পারেন না। তবে এই নতুন আন্তর্জাতিক পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তারা ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে সহজে পণ্য পাঠাতে পারবেন।

পেপাল চালুর বিষয়ে বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা ও প্রতিশ্রুতি এলেও তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি। ২০১৭ সালে একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হলেও, পরবর্তীতে তা স্থগিত হয়। বর্তমানে পেপালের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘জুম’ সীমিত আকারে সেবা দিলেও, ফ্রিল্যান্সারদের মূল চাহিদা পূরণে পেপালের সম্পূর্ণ পরিষেবা অপরিহার্য।

বাংলাদেশে পেপাল চালু হলে ফ্রিল্যান্সার, উদ্যোক্তা এবং ই-কমার্স খাতে যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে-

১. দ্রুত ও সহজ পেমেন্ট: আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের কাছ থেকে দ্রুত এবং সহজে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা যাবে। বর্তমানে প্রচলিত অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় এটি গ্রাহকদের কাছে বেশি পরিচিত ও বিশ্বস্ত।

২. ফ্রিল্যান্সারদের সুবিধা: ফ্রিল্যান্সাররা আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস এবং সরাসরি ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে পেমেন্ট নিতে পারবেন, যা তাদের কাজের সুযোগ ও আয় বাড়াতে সাহায্য করবে।

৩. বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন: দেশে আরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আসবে, যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।

৪. ই-কমার্স ও স্টার্টআপ: দেশীয় স্টার্টআপ, ই-কমার্স এবং আইটি সেবা খাতের আন্তর্জাতিক লেনদেন অনেক সহজ হবে।

৫. নিরাপত্তা: পেপাল গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তা, পারচেজ প্রটেকশন এবং ট্রানজেকশনের সুরক্ষা প্রদান করে।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ