|| মাওলানা মামুনুল হক ||
সাধারণত মসজিদে হারামের ছাদে নামাজ পড়ি। আগে সুযোগ পেলে মাতাফে নামাজ পড়তাম। কিন্তু এখন এহরাম ছাড়া পুরুষদেরকে মাতাফে ঢুকতে দেওয়া হয় না। মাতাফের সেই অনুভূতি কিছুটা পাওয়া যায় ছাদে। তাই সুযোগ পেলে এখন ছাদে গিয়েই নামাজ পড়ি। খোলা আকাশের নিচে বায়তুল্লাহর মুখোমুখি দাঁড়াতে এক ভিন্ন রকম পুলক অনুভব হয়।
কাল আসরের নামাজের পর জুমার দিনের বিশেষ আমল হিসেবে দরুদ ও দোয়ার জন্য মসজিদুল হারামের ছাদে যাই। একটা মুনাসিব জায়গায় একটু সময় নিয়ে আমল করি। মাগরিবের নামাজ পড়ে আরেকটু সামনে এগিয়ে যাই। সেখানে আওয়াবীনের নামাজ আদায় করি। লম্বা কেরাতের ছয় রাকাত নামাজ শেষ করতে এশার ওয়াক্ত ঘনিয়ে আসে। অল্প কিছু সময় তখনও অবশিষ্ট। সালাম ফেরাতেই পাশ থেকে এক সুদর্শন মাঝ বয়সি আরব সালাম দিয়ে মুসাফাহার জন্য হাত বাড়িয়ে দেয়। পরিচয় জানতে চায়। আমার বাড়ি কোথায়? কী করি? প্রতিউত্তরে আমার পরিচয় দিয়ে আমিও তাকে পাল্টা প্রশ্ন করি।
