বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ ।। ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৪ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় টিকটক ভিডিও তৈরি, হাটহাজারীর ৪ শিক্ষার্থী বহিষ্কার টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে দারুল মাআরিফ, শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ‘নিষিদ্ধ’ আওয়ামী লীগের নেতা যোগ দিলেন জামায়াতে ইসলামীতে আইনি লড়াইয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ মরহুম গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ আবদুল আজিজের স্মৃতিচারণ করলেন শাইখ সুদাইস নারী প্রশিক্ষক নিয়োগ দেবে তাগলীবে দ্বীন ফাউন্ডেশন প্রাথমিকে নূরানী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের দাবি সংসদে আরবি ভাষা শিক্ষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে হাসানাহ ফাউন্ডেশন ৫০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে সৌদি আরব, আবেদন যেভাবে মসজিদে কুবায় যেতে নতুন সেবা চালু

সংবিধানে ফিরল গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয় পরিবর্তন করে আনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছেন  সর্বোচ্চ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ  এই রায় দেন। এর ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় বহাল রইল বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে তিনটি আপিল হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চার ব্যক্তি একটি এবং নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন পৃথক আপিল করেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার একটি আপিল করেন।

এক ব্রিফিংয়ে গতকাল বুধবার অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছিলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে মূলত দেশের সংবিধানের আমূল পরিবর্তন করা হয়েছিল। এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের বাক্‌স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, আগামী দিনের অগ্রযাত্রা, দেশের অগ্রযাত্রা, গণতন্ত্রের অভিযাত্রা—সবকিছুই বাধাগ্রস্ত ছিল।

সংশোধনীতে সংবিধানে ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছিল। অবৈধ ক্ষমতা দখল করলে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান, জাতির পিতা হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বীকৃতির পাশাপাশি সংবিধানে জাতীয় চার মূলনীতি—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা হয়।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরো আইন ও আইনের কয়েকটি ধারার বৈধতা নিয়ে ২০২৪ সালে হাইকোর্টে আলাদা দুটি রিট হয়।

চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং গণভোট বাদ দেওয়া-সংক্রান্ত সেই সংবিধান আইনের ২০ ও ২১ ধারা বাতিল ঘোষণা করা হয়। ওই দুটিসহ পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭ক, ৭খ, ৪৪(২) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিলও ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

আওয়ার ইসলাম/জেডএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ