বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
জামায়াত জোটের সংবাদ সম্মেলনে যাচ্ছে না ইসলামী আন্দোলন  প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জমিয়তের আলেম-উলামাসহ সব ধর্মের মানুষ বিএনপির কাছেই নিরাপদ: শামা ওবায়েদ মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে ইসির শোকজ সীমান্তের কোল ঘেঁষে শিশুর দেশপ্রেমী গান, নেটদুনিয়ায় তোলপাড় বিক্ষোভে প্রায় ২০০০ নিহত, দাবি ইরানি কর্মকর্তার নিকাব নিয়ে কটূক্তিকারীর শাস্তি না হলে ধরে নেব বিএনপি এই বক্তব্য ধারণ করে দুইটি মামলায় খালাস পেলেন আখতার হোসেন সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন ‘রুমিন ব্যারিকেড’ ডিঙ্গাতে পারবেন কি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব?

‘নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হলে অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম শায়েখে চরমোনাই বলেছেন, ‘অতীতে নাগরিক অধিকার ভূলুন্ঠিত হওয়ায় দেশের মানুষের ভোটাধিকার হাইজ্যাক করে পতিত আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। এর আগেও একই কারণে অতীতের সরকারেরা ভোটারবিহীন নির্বাচন আয়োজনের দুঃসাহস দেখিয়েছে।’

বুধবার ঢাকার জামেয়া কারীমিয়া আরাবিয়া রামপুরা ঢাকা ও জামেয়া সাঈদীয়া কারিমীয়া ভাটারা ঢাকার পৃথক দু’টি খতমে বোখারী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা মকবুল হোসেন ও আলহাজ্ব আবু সাঈদ প্রমুখ।

এসময় শায়েখে চরমোনাই আরও বলেন, ‘মানুষের প্রত্যাশা হচ্ছে, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে দেশে যাতে আর কেউ নাগরিকদের ভোটাধিকার হরণ করতে না পারে। নতুন করে পেশীশক্তি দিয়ে ভোটারবিহীন নির্বাচন আয়োজন করে পার পাওয়া তো দূরের কথা সাহসও যাতে না পায়- তেমন সংস্কার জনগণ চায়।

মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, ‘এক সময়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের কথায় প্রশাসন পরিচালিত হতো, এখন কারো কথায় প্রশাসন চলুক- এটা জনগণ চায় না।’

তিনি বলেন, ‘প্রশাসন যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করে তবে দেশে নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে না। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বেড়ে যাবে। এজন্য দ্রুত সময়ে সচিবালয় থেকে তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করানো যখন পুরোপুরি সম্ভব হবে, তখন জনগণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে আশাবাদী হবে। কালো টাকা ও পেশীশক্তির প্রভাবমুক্ত নির্বাচন হওয়ার আশা করতে পারবে।’

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ