বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি সিলেটে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু বরুড়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিষদের উদ্যোগে সিরাত সম্মেলন ২৭ আগস্ট কলকাতায় আরও ২০০ হোটেল বন্ধের নোটিশ রুহামা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় সীরাত কনফারেন্স আগামীকাল ‘সিরাতুন্নবীর আলোকে দেশ পরিচালনা করলেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হবে’ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ‘মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি’ বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স আগমী শনিবার ‘পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা, কোনো অজুহাত চলবে না’ 

দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে মুক্তি লাভে যে দোয়া পড়বেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

OUR ISLAM ডেস্ক।।মানুষের জীবনে দুশ্চিন্তা, হতাশা ও ঋণগ্রস্ততা এমন কিছু সমস্যা—যা আত্মাকে অসহায় করে ফেলে, মনকে ভারাক্রান্ত করে তোলে। এ অবস্থায় অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েন, কখনো সান্ত্বনা খুঁজে পান না। অথচ ইসলামে রয়েছে হৃদয় প্রশান্তির অমূল্য দোয়া, যা নবীজি ﷺ নিজে পড়তেন এবং সাহাবিদের শিখিয়েছেন।

প্রিয়নবি ﷺ এর শেখানো বিশেষ দোয়া

রাসুলুল্লাহ ﷺ এক ব্যক্তি‌কে দেখলেন—অত্যন্ত চিন্তিত ও বিষণ্ন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন,

‘তুমি কি এমন একটি দোয়া শিখতে চাও, যা পড়লে তোমার দুশ্চিন্তা দূর হবে এবং ঋণ থেকে মুক্তি পাবে?’

সে বলল, ‘জি, অবশ্যই।’

তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ তাকে এই দোয়াটি শিখিয়ে দেন:

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ

উচ্চারণ:

আল্লাহুম্মা ইন্নি আঊজু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আঊজু বিকা মিনাল আজজি ওয়াল কাসালি, ওয়া আঊজু বিকা মিনাল জুবনি ওয়াল বুকলী, ওয়া আঊজু বিকা মিন গালাবাতিদ দায়নি ওয়া কাহরির রিজাল।

অর্থ:

“হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, আমি আপনার আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, আমি আপনার আশ্রয় চাই কাপুরুষতা ও কৃপণতা থেকে, এবং আমি আপনার আশ্রয় চাই ঋণের বোঝা ও মানুষের দমন-নিপীড়ন থেকে।”

এই দোয়াটি নিয়মিত পড়লে:  দুশ্চিন্তা ও দুঃখ দূর হয়।অলসতা ও ব্যর্থতা কাটে।ঋণের বোঝা হালকা হয়।

সমাজ ও মানুষের নিপীড়ন থেকে মুক্তি মেলে।

{সহিহ বুখারিতে এ দোয়ার বর্ণনা এসেছে (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৮৯৩)  মুসলিম শরীফেও হাদিসটি রয়েছে (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭০৬)}

এই দোয়াটি সকালে ও সন্ধ্যায় একাধিকবার পাঠ করা উত্তম। নামাজের পর অথবা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত অবস্থায় বেশি বেশি পড়া যায়।

জীবনের সংকটে, দুশ্চিন্তায়, ঋণে জর্জরিত অবস্থায় যখন কাউকে পাশে পাওয়া যায় না, তখন আল্লাহর কাছে এই দোয়াটুকুই হতে পারে সবচেয়ে বড় আশ্রয়। প্রিয়নবির ﷺ শেখানো এই দোয়া কেবল মুখের উচ্চারণ নয়—বরং এক গভীর বিশ্বাস ও আস্থার বহিঃপ্রকাশ।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ