সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

জুমার নামাজ যাদের ওপর ফরজ নয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

জুমার গুরুত্ব বোঝানোর জন্য মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআন ‘সুরা জুমুআ’ নাজিল করেছেন। আল্লাহ তায়ালা জুমার সালাতের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘হে ঈমানদাররা! জুমার দিনে যখন তোমাদের সালাতের জন্য ডাকা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা তা উপলব্ধি করো। অতঃপর যখন সালাত শেষ হয়ে যায় তখন তোমরা (কাজকর্মের জন্য) পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো..। ’ (সুরা : জুমুআ, আয়াত : ৯-১০)

পবিত্র জুমা, জুমার রাত ও জুমার দিন ইসলামের দৃষ্টিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক হাদিসে মহানবী সা. ইরশাদ করেছেন, যে দিনগুলোতে সূর্য উদিত হয়, ওই দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। ওই দিন আদম আ.-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। ওই দিন তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং ওই দিনই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়। আর ওই দিনই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। (মুসলিম শরিফ, হাদিস : ৮৫৪)

সৃষ্টিজগতের শুরু থেকে জুমার দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। আবু লুবাবা বিন আবদুল মুনজির রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. জুমার দিনের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো—

এক. আল্লাহ তাআলা এই দিনে আদম আ.-কে সৃষ্টি করেছেন।

দুই. আল্লাহ তাআলা এই দিনে আদম আ.-কে জমিনে অবতরণ করিয়েছেন।

তিন. এই দিনে আদম আ.-কে মৃত্যু দিয়েছেন।

চার. এই দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা কিছুই প্রার্থনা করে তিনি তা দেন; যতক্ষণ সে হারাম কিছু প্রার্থনা করবে না।

পাঁচ. এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। (ইবনে মাজাহ : ৮৯৫)

প্রশ্ন হলো, কাদের ওপর জুমার সালাত আদায় করা ফরজ? এর জবাব হলো, চার শ্রেণির মানুষ ছাড়া প্রত্যেক মুসলিমের ওপর জুমার সালাত ফরজ করা হয়েছে।

এই চার শ্রেণির ব্যক্তি হচ্ছে ক্রীত দাস-দাসী, নাবালক সন্তান, রোগী ও মুসাফির। রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘চার ব্যক্তি ছাড়া প্রত্যেক মুসলিমের ওপর জুমার সালাত জামাতের সঙ্গে আদায় করা ওয়াজিব (ফরজ); (তারা হচ্ছে) ক্রীত দাস-দাসী, নারী, নাবালক সন্তান ও রোগী।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৬৭)

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ