সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

খালার সেবা তওবার উত্তম পন্থা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

মুফতি আরিফুল ইসলাম

আমরা প্রতিনিয়ত গোনাহ করছি। ছোট গোনাহ।বড় গোনাহ। আমাদের একটি ব্যধি পেয়ে বসেছে গোনাহকে আমরা গোনাহই মনে করি না। অথচ সাহাবায়ে কেরাম কোনো গোনাহ হলে বিচলিত হয়ে যেতেন। এই একটি গোনাহই না জানি জাহান্নামের কারণ হয়।তওবার চিন্তায় ব্যস্ত থাকতেন তাঁরা। মা হারানো এক সাহাবী একটি কবীরা গোনাহ করে ফেলেন। আল্লাহর রাসূল সা. তার ব্যকুলতা দেখে খালার সাথে উত্তম ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে তওবার পথকে সহজ করে দেন।

হাদীস  :  হযরত ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত ।  রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট একজন লোক এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমি একটি কবিরা গুনাহ করে ফেলেছি। আমার কি তওবা করার সুযোগ আছে? হুজুর সা. জিজ্ঞেস করলেন, তোমার মা কি জীবিত আছেন? লোকটি বলল, না। তিনি আবার প্রশ্ন করেন তোমার খালা কি জীবিত আছেন? বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তার সাথে উত্তম আচরণ কর। -তিরমিযী শরীফ

এম আই/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ