শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ফজরের সুন্নত ছুটে গেলে কী করবেন


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

কিছুদিন মসজিদে ফজরের নামাযের পর একটি বিষয় লক্ষ করছি। তা হচ্ছে একটি ছেলেকে প্রায় প্রায় দেখা যায়, নামায শেষ হওয়ার পর বারান্দায় এসে আবার দুই রাকাত নামায পড়ছে। পরে খোঁজ নিলে জানা যায় যে, ফজরের সুন্নত পড়তে না পারার কারণে এমনটি করে থাকে। অর্থাৎ জামাত শেষ হওয়ার পর সূর্য ওঠার আগেই বারান্দায় এসে তা পড়ে নেয়। হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি যে, তার এ কাজটি ঠিক হচ্ছে কি না। অর্থাৎ ফজরের আগে যদি সুন্নত না পড়া যায়, তাহলে জামাত শেষ হওয়ার পর সূর্য ওঠার আগেই তা পড়ে নেওয়া জায়েয আছে কি না?

উত্তর না, ফজরের নামাযের পর সুন্নত পড়া ঠিক হচ্ছে না। কেননা ফজরের সুন্নত সময়মত পড়তে না পারলে সূর্যোদয়ের পর মাকরূহ ওয়াক্তের পর পড়া নিয়ম। সূর্য ওঠার আগে তা পড়া মাকরূহে তাহরিমী। হাদীসে এ সময় নফল বা সুন্নত পড়তে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত আছে যে  রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই সময় নামায পড়তে নিষেধ করেছেন। ফজরের পর সূর্য ওঠা পর্যন্ত এবং আসরের পর সূর্য ডোবা পর্যন্ত। (সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৮৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮২৫)

তাই ফজরের সুন্নত ছুটে গেলে সূর্যোদয়ের আগে পড়বে না; বরং সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্য হেলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আদায় করে নেবে। আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-  যে ফজরের দুই রাকাত সুন্নত (সময়মতো) পড়েনি সে যেন সূর্যোদয়ের পর তা আদায় করে নেয়। (জামে তিরমিযী, হাদীস ৪২৩; মুসতাদরাকে হাকেম হাদীস ১০৫৩)মাসিক আল কাউসার

এম আই/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ