শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
বৃষ্টির আশায় তামিলনাড়ুতে মুসল্লিদের বিশেষ নামাজ ও মোনাজাত! জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট ‘নৈতিকতা, আদর্শ, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে’ প্রচণ্ড গরম জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়: মসজিদে নববীর খতিব বিকেএমের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় অধিবেশন চলছে মক্কায় বাঙালি নারী প্রতিষ্ঠিত প্রথম কওমি মাদরাসা! দুই প্রতিষ্ঠানে ‘যে গল্পে ঈমান জাগে’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন দৃষ্টির হেফাজত ঈমানের নূর ও অন্তরের প্রশান্তির উৎস: মসজিদে হারামের খতিব আলজেরিয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ২৭ ছাত্রদের নেতৃত্ব গড়ে উঠতে হবে আদর্শ, নৈতিকতা ও যোগ্যতার মাধ্যমে: শায়খে চরমোনাই

আফগানিস্থানের সাত জায়গায় পাকিস্তান বাহিনীর হামলা 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

দুই দেশের সীমান্তে সংঘর্ষের পর আফগানিস্থানে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির বিমান হামলায় আফগানিস্তানের নাঙ্গারহার ও পাকতিকা প্রদেশে বহু বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। মৃতদের মধ্যে শিশুও রয়েছেন। 

গতকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতভর ওই হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে মৃতদেহ চাপা পড়েছে। এতে কয়েক ডজন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে স্থানীয়রাও উদ্ধারে অংশ নিয়েছেন।  


নাঙ্গারহার পুলিশ জানান, রাত প্রায় বারোটার দিকে হামলা শুরু হয়। তিনটি জেলায় একযোগে এ আঘাত করা হয়েছে। 

পুলিশের মুখপাত্র সায়েদ তাইয়েব হাম্মাদ বলেন, ‘অনেক নিরপরাধ মানুষ নিহত হয়েছেন। একটি বাড়িতে ২৩ জন পরিবারের সদস্য ছিলেন। তার মধ্যে আহত অবস্থায় পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।’


ইসলামাবাদের সূত্রে জানা গেছে, তারা সীমান্তবর্তী এলাকায় আফগানিস্তানকে লক্ষ্য করে সাত জায়গায় হামলা চালিয়েছে। কয়েকদিন আগে পাকিস্তানে ঘটে যাওয়া আত্মঘাতী বোমা হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। সেনারা ইসলামিক স্টেটের একটি শাখা এবং তাদের সহযোগীদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, হামলায় নাঙ্গারহার প্রদেশের একটি মাদ্রাসা ও কিছু বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন অনেকে।

আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়, পাকিস্তানের এই হামলার ‘যথাযথ ও সুপরিকল্পিত জবাব’ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে তালেবান সরকার আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের মধ্যে বিরোধ বৃদ্ধি পায়। দুই দেশের সীমান্তে সর্বশেষ বড় সংঘর্ষ হয়েছিল গত বছর (২০২৫) অক্টোবর মাসে। তখন প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তীব্র গোলাগুলি ও সংঘর্ষ চলে। 

জাতিসংঘ মিশনের তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে পাকিস্তানি সামরিক অভিযানে অন্তত ৭০ জন আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির পর বেশ কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে, কিন্তু এখনও দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী চুক্তি হয়নি।

এদিকে পাকিস্তান দাবি করছে, বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও তালেবান সরকার আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অন্যদিকে, আফগান সরকার হামলাকারীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সূত্র: গালফ নিউজ

 

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ