শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট ‘নৈতিকতা, আদর্শ, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে’ প্রচণ্ড গরম জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়: মসজিদে নববীর খতিব বিকেএমের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় অধিবেশন চলছে মক্কায় বাঙালি নারী প্রতিষ্ঠিত প্রথম কওমি মাদরাসা! দুই প্রতিষ্ঠানে ‘যে গল্পে ঈমান জাগে’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন দৃষ্টির হেফাজত ঈমানের নূর ও অন্তরের প্রশান্তির উৎস: মসজিদে হারামের খতিব আলজেরিয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ২৭ ছাত্রদের নেতৃত্ব গড়ে উঠতে হবে আদর্শ, নৈতিকতা ও যোগ্যতার মাধ্যমে: শায়খে চরমোনাই দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

মদিনায় ২১ লাখ বৃক্ষরোপণ করল সৌদি সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং মরুভূমিপ্রধান পরিবেশে সবুজায়ন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ (এসজিআই) প্রকল্পের আওতায় পবিত্র মদিনা অঞ্চলে এ পর্যন্ত ২১ লাখের বেশি বৃক্ষরোপণ করেছে দেশটির ন্যাশনাল ওয়াটার কোম্পানি (এনডব্লিউসি)। খবর আরব নিউজের।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানায়, এই উদ্যোগ পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি সৌদি আরবের ভবিষ্যৎ সবুজ অর্থনীতির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এনডব্লিউসি জানিয়েছে, মদিনার এই বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে শতভাগ পরিশোধিত বর্জ্য পানি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমেছে এবং বর্জ্য পানির কার্যকর পুনঃব্যবহার নিশ্চিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সাল প্রকল্পটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় ছিল। শুধু গত বছরেই মদিনার উত্তর-পশ্চিম সেক্টরে ৪ লাখ ৭২ হাজার গাছ রোপণ করা হয়। বর্তমানে মোট রোপণ করা গাছের প্রায় ১০ শতাংশ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেগুলোর জন্য আর নিয়মিত সেচের প্রয়োজন নেই।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন ২০৩০-এর অংশ হিসেবে ২০২১ সালে সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভের যাত্রা শুরু হয়। এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য ২০৬০ সালের মধ্যে নিট শূন্য কার্বন নিঃসরণ অর্জন। মদিনার এই বনায়ন কার্যক্রম সেই লক্ষ্য পূরণের পথে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেজিটেশন কভার ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে সমন্বয় করে ভবিষ্যতে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে এনডব্লিউসির। এতে করে ওই অঞ্চলের বায়ুর মান উন্নত হবে, বালুঝড়ের প্রবণতা কমবে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আন্তর্জাতিক পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, মদিনার এই উদ্যোগ বিশ্বের অন্যান্য শুষ্ক ও মরু অঞ্চলগুলোর জন্য একটি কার্যকর ও অনুসরণযোগ্য উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ