সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
পড়তে-লিখতে জানেন না, তবু ৭১ বছর বয়সে হাফেজা হলেন মিসরীয় নারী জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত এমপি ভবনে গাজী নজরুলের সেই স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার  মাদক নির্মূলে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সৌজন্য সাক্ষাৎ  নাজাত ইসলামী মারকাজের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক-গুণীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবি খেলাফত মজলিসের কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সমালোচনার মুখে ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

গাজায় সাহায্যপণ্য সরবরাহের ওপর ইসরাইলের বিধিনিষেধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাজায় কোনোপ্রকার মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরাইল। ইসরাইলি বোমাবর্ষণে গাজার মানুষের জীবন এখন ধ্বংসস্তূপের নিচে, এতে তারা খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি পণ্যের সংকটে রয়েছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, বর্তমানে গাজাবাসীর সাহায্যের পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক কম। তাই তাত্ক্ষণিকভাবে আরও বেশি সহায়তা প্রয়োজন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক বলেছেন, ১০ অক্টোবরের পর থেকে তারা ৩৭ হাজার মেট্রিক টন সহায়তা সরবরাহ করেছে, যার বেশিরভাগই খাদ্যপণ্য। তবে ইসরাইলের বিধিনিষেধের কারণে মানুষের বড় অংশের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।

এছাড়া আল-কারারা ও কারেম আবু সালেম ক্রসিং থেকে সীমিত মাত্রায় মানবিক সাহায্য প্রবেশ করা সম্ভব হলেও, উত্তর গাজায় বা মিশর থেকে দক্ষিণ গাজায় সরাসরি কোনো প্রবেশপথ খোলা নেই। বেসরকারি সংস্থাগুলোও প্রবেশাধিকার পাচ্ছে না।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতির পর তারা প্রায় ১০ লাখ মানুষের জন্য খাদ্য বিতরণ করেছে। কিন্তু এ পরিমাণ খাদ্য গাজার সব মানুষের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সীমান্তের ক্রসিংগুলো খুলে দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে।

জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি গাজায় প্রবেশের জন্য সব সীমান্ত ক্রসিং খুলে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেছে, ভূখণ্ডটির উত্তরের ক্রসিং ইসরাইল কেন বন্ধ রেখেছে তার কোনো কারণ জানা যায়নি।

ইসরাইলের এই পদক্ষেপের ফলে গাজার মানুষরা এখনো খাবার, পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি পণ্যের তীব্র ঘাটতিতে ভুগছে। অনেকের বসতবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বেশিরভাগ মানুষের থাকার কোনো ঠিকানা নেই।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ