শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’

গাজায় সাহায্যপণ্য সরবরাহের ওপর ইসরাইলের বিধিনিষেধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাজায় কোনোপ্রকার মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরাইল। ইসরাইলি বোমাবর্ষণে গাজার মানুষের জীবন এখন ধ্বংসস্তূপের নিচে, এতে তারা খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি পণ্যের সংকটে রয়েছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, বর্তমানে গাজাবাসীর সাহায্যের পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক কম। তাই তাত্ক্ষণিকভাবে আরও বেশি সহায়তা প্রয়োজন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক বলেছেন, ১০ অক্টোবরের পর থেকে তারা ৩৭ হাজার মেট্রিক টন সহায়তা সরবরাহ করেছে, যার বেশিরভাগই খাদ্যপণ্য। তবে ইসরাইলের বিধিনিষেধের কারণে মানুষের বড় অংশের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।

এছাড়া আল-কারারা ও কারেম আবু সালেম ক্রসিং থেকে সীমিত মাত্রায় মানবিক সাহায্য প্রবেশ করা সম্ভব হলেও, উত্তর গাজায় বা মিশর থেকে দক্ষিণ গাজায় সরাসরি কোনো প্রবেশপথ খোলা নেই। বেসরকারি সংস্থাগুলোও প্রবেশাধিকার পাচ্ছে না।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতির পর তারা প্রায় ১০ লাখ মানুষের জন্য খাদ্য বিতরণ করেছে। কিন্তু এ পরিমাণ খাদ্য গাজার সব মানুষের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সীমান্তের ক্রসিংগুলো খুলে দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে।

জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি গাজায় প্রবেশের জন্য সব সীমান্ত ক্রসিং খুলে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেছে, ভূখণ্ডটির উত্তরের ক্রসিং ইসরাইল কেন বন্ধ রেখেছে তার কোনো কারণ জানা যায়নি।

ইসরাইলের এই পদক্ষেপের ফলে গাজার মানুষরা এখনো খাবার, পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি পণ্যের তীব্র ঘাটতিতে ভুগছে। অনেকের বসতবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বেশিরভাগ মানুষের থাকার কোনো ঠিকানা নেই।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ