বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
অবনত চিত্ত হুদায়বিয়ার সন্ধি: দৃষ্টিতে পরাজয়, বাস্তবে বিজয় স্থানীয় নির্বাচনে সবাই প্রার্থী হতে পারবেন, বেআইনি নির্দেশনা নয়: সিইসি নীলফামারীতে ছাত্র জমিয়তে একঝাঁক তরুণ শিক্ষার্থীর যোগদান জাতিসংঘে সভাপতির মেয়াদেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান দাবি ইসলামী আন্দোলনের উত্তরায় শপিং মলে আগুন, ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ইবনে খালদুন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশি আলেমের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আত্মহত্যা প্রতিরোধে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানোর তাগিদ প্রতিমন্ত্রী মুহিতের দারুল উলূম রামপুরার ইসলাহি মাহফিল ১১ সেপ্টেম্বর, প্রধান আলোচক ওলিপুরী

গাজায় সাহায্যপণ্য সরবরাহের ওপর ইসরাইলের বিধিনিষেধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাজায় কোনোপ্রকার মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরাইল। ইসরাইলি বোমাবর্ষণে গাজার মানুষের জীবন এখন ধ্বংসস্তূপের নিচে, এতে তারা খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি পণ্যের সংকটে রয়েছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, বর্তমানে গাজাবাসীর সাহায্যের পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক কম। তাই তাত্ক্ষণিকভাবে আরও বেশি সহায়তা প্রয়োজন।

জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক বলেছেন, ১০ অক্টোবরের পর থেকে তারা ৩৭ হাজার মেট্রিক টন সহায়তা সরবরাহ করেছে, যার বেশিরভাগই খাদ্যপণ্য। তবে ইসরাইলের বিধিনিষেধের কারণে মানুষের বড় অংশের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।

এছাড়া আল-কারারা ও কারেম আবু সালেম ক্রসিং থেকে সীমিত মাত্রায় মানবিক সাহায্য প্রবেশ করা সম্ভব হলেও, উত্তর গাজায় বা মিশর থেকে দক্ষিণ গাজায় সরাসরি কোনো প্রবেশপথ খোলা নেই। বেসরকারি সংস্থাগুলোও প্রবেশাধিকার পাচ্ছে না।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতির পর তারা প্রায় ১০ লাখ মানুষের জন্য খাদ্য বিতরণ করেছে। কিন্তু এ পরিমাণ খাদ্য গাজার সব মানুষের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সীমান্তের ক্রসিংগুলো খুলে দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে।

জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি গাজায় প্রবেশের জন্য সব সীমান্ত ক্রসিং খুলে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেছে, ভূখণ্ডটির উত্তরের ক্রসিং ইসরাইল কেন বন্ধ রেখেছে তার কোনো কারণ জানা যায়নি।

ইসরাইলের এই পদক্ষেপের ফলে গাজার মানুষরা এখনো খাবার, পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি পণ্যের তীব্র ঘাটতিতে ভুগছে। অনেকের বসতবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বেশিরভাগ মানুষের থাকার কোনো ঠিকানা নেই।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ