সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সূচিতে পরিবর্তন, শুরু কবে? ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক প্রতি ১০ কিলোমিটারে একটি করে অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চিত করা হবে: সড়কমন্ত্রী ‘মক্কা চুক্তি’তে আমন্ত্রণ পাওয়ার দাবি ইরানের জ্বালানি সরবরাহে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বিএনপি সরকার: নাহিদ ইসলাম স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন স্থানীয় ভাবে ঠিক করা হবে: রিজভী রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা   বায়তুল মোকাররমে পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

ঘূর্ণিঝড় টাইফুন কালমেগি আঘাত, নিহত বেড়ে ১০০, নিখোঁজ ২৬


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিপিন সাগরে উদ্ভূত টাইফুন (ঘূর্ণিঝড়) কালমেগির আঘাতে দেশটিতে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০০ জন এবং এখনও নিখোঁজ আছেন ২৬ জন। ফিলিপাইনের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আয়ারল্যান্ডভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরটিই।

গতকাল (৪ নভেম্বর) মঙ্গলবার ফিলিপিন সাগর থেকে ফিলিপাইনের কেবু প্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ে টাইফুন কালমেগি। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই প্রদেশেই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। কেবুর প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র রন রামোস জানিয়েছেন, প্রদেশের বিভিন্ন শহর এবং বন্যা কবলিত এলাকা থেকে এ পর্যন্ত ৮৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দেশটির জাতীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের উপ-প্রশাসক রাফায়েলিতো আলেজান্দ্রো জানান, কেবুর সংলগ্ন অন্যান্য প্রদেশ থেকে আরও ১৭ জন নিহতের সংবাদ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় এক বেতার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়ে আলেজান্দ্রো বলেন, “এখনও ২৬ জন নিখোঁজ আছেন। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কেবুর বড় শহরগুলোর সবগুলোই বন্যায় ডুবে গেছে। এমনকি সবচেয়ে নগরায়িত এলাকগুলোতেও ঢুকে পড়েছে বন্যার পানি।”

এদিকে মঙ্গলবার কালমেগি আঘাত হানার আগের ২৪ ঘণ্টায় কেবু প্রদেশ ও তার আশপাশের প্রদেশগুলোতে ব্যাপক ও ভারী বর্ষণ হয়েছে। প্রাদেশিক আবহওয়া দপ্তরের কর্মকর্তা চারমাগ্নে ভারিলা আরটিইকে জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে প্রদেশের প্রধান শহর কেবু সিটিতে— ১৮৩ মিলিমিটার।

ভারি বৃষ্টির ফলে প্রদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদ-নদীগুলোর পানিও প্রচুর বেড়েছে। ফলে প্রদেশজুড়ে দেখা দেয় বন্যা। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আজ বুধবার ভোর ৪টা ৫টার দিকেও বন্যায় কোথাও দাঁড়ানোর সুযোগ ছিল না। অনেকের বাড়িঘর-দোকানপাট ভেসে গেছে।”

সরকারি তথ্যের বরাতে জানা গেছে, এই ঝড়ের কারণে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থান ও আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে প্রায় চার লাখ মানুষ।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ