মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন ‘রুমিন ব্যারিকেড’ ডিঙ্গাতে পারবেন কি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব? লুৎফুজ্জামান বাবরের পেশা ব্যবসা, নগদ টাকা ১৩ কোটি ২১ লাখ উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে শায়খ আহমাদুল্লাহর ধন্যবাদ এনসিপি ছাড়ার কারণ জানালেন তাসনিম জারা ‘কলঙ্কিত নির্বাচনের দুঃসহ স্মৃতি মুছতে প্রশাসনের সংস্কার দৃশ্যমান হতে হবে’ গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণ-অভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে : নাহিদ ইসলাম জামায়াত জোটে যোগ দেওয়ায় ক্ষমাপ্রার্থী মঞ্জু চতুর্থ দিনে বৈধতা পেলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিন প্রার্থী প্রতারণা করে অর্থ আদায়: ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার

ইসলামি শাসন ব্যবস্থায় চলবে সিরিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অস্থায়ী সংবিধানে স্বাক্ষর করেছেন সিরিয়ার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) স্বাক্ষরিত এই সংবিধানে বলা আছে, ইসলামপন্থি শাসনে চলবে সিরিয়া। এই অস্থায়ী সংবিধান পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর হবে। 

এর আগে গত জানুয়ারিতেই বাতিল করা হয়েছে আগের সংবিধান। আগেই অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা জানিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দিতে ৪-৫ বছর লাগতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের পাঁচ বছর পর্যন্ত এই অস্থায়ী সংবিধান কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন সিরিয়ার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা। এর মধ্য দিয়ে ব্যাপক আক্রমণ চালিয়ে বাশার আল-আসাদের সরকারকে উৎখাত করার তিন মাস পর সাংবিধানিক ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করা হলো। এবার স্থায়ী সংবিধানের জন্য আরেকটি কমিটি করা হবে।

সাংবিধানিক ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করার সময় আল-শারা বলেন, ‘এটি সিরিয়ার জন্য একটি নতুন ইতিহাসের সূচনা করবে বলে প্রত্যাশা করছি। এর মাধ্যমে আমরা নিপীড়নের পরিবর্তে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব।’ দুই সপ্তাহের কম সময় আগে একটি কমিটি করে এই ঘোষণাপত্র বানানোর নির্দেশ দেন শারা।

সংবিধান খসড়া কমিটির সদস্য আব্দুল হামিদ আল-আওয়াক বলেন, আগের সংবিধানের কিছু বিষয় নতুন অস্থায়ী সংবিধানেও রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, রাষ্ট্রপ্রধানকে মুসলিম হতে হবে এবং আইনশাস্ত্রের প্রধান উৎস হিসেবে ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

সংবিধান খসড়া কমিটির সদস্য আব্দুল হামিদ আল-আওয়াক বলেন, মত প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং নারীদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করার বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এতে। এই সংবিধানে বেশি মনোযোগ থাকবে অন্তর্বর্তী সময়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ওপর। এর লক্ষ্য হবে পূর্ববর্তী বাশার আল-আসাদ সরকারের অধীনে সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা।

নারনা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ