বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

আবারও মুসলিম মেয়র পেল লন্ডন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

লন্ডনের মেয়র হিসেবে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন সাদিক খান। এর মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হলেন তিনি।

একে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেছে বৃটিশ গণমাধ্যমগুলো। বিবিসি বলেছে, তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তারা লিখেছে, আমাদের হাতে যেসব রিপোর্ট এসেছে তাতে নির্বাচিত হয়েছেন সাদিক খান।

স্কাই নিউজের খবরে বলা হয়েছে, শতকরা ৪৩.৭ ভাগ ভোট পেয়েছেন সাদিক খান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কনজার্ভেটিভ পার্টির সুসান হল পেয়েছেন শতকরা ৩২.৬ ভাগ ভোট। স্থানীয় এই নির্বাচনে শতকরা ৪০.৫ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন। লেবার পার্টির সাদিক খান পেয়েছেন মোট ১০ লাখ ৯৯ হাজার ২২৫ ভোট। মিস হল পেয়েছেন ৮ লাখ ১১ হাজার ৫১৮ ভোট।

এর ফলে লন্ডনের ইতিহাসে টানা তৃতীয় মেয়র হিসেবে তিনিই প্রথম দায়িত্ব পালন করবেন।

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাদিক খান সুযোগ-বঞ্চিত পরিবারের ছেলে। সাদিক খান তার বাপ-মায়ের আট সন্তানের একজন। পাকিস্তান থেকে আসা সাদিক খানের বাবা ছিলেন বাস ড্রাইভার এবং মা জীবিকা নির্বাহের জন্য সেলাইয়ের কাজ করতেন।

তারা থাকতেন দক্ষিণ লন্ডনের একটি এলাকায় দরিদ্রদের জন্য তৈরি সরকারি কাউন্সিল ফ্ল্যাটে।

জন্ম ১৯৭০ সালে। সাদিক খান ছোটবেলা থেকেই মুসলিম ধর্মবিশ্বাসকে লালন করেছেন। ২০০৫ সালে তিনি দক্ষিণ লন্ডনের টুটিং এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০১০ সালে গার্ডিয়ান পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাদিক খান বলেছিলেন ‘আমি উদ্ধত কোনো মন্তব্য করতে চাই না- তবে ব্রিটিশ মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে গুছিয়ে যুক্তি দিয়ে বক্তব্য তুলে ধরতে পারে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম, খুব কম মুসলমানকে বলতে শোনা যায় ‘আমি একইসঙ্গে ব্রিটিশ, মুসলমান এবং লন্ডনবাসী- তা নিয়ে আমি গর্বিত।’

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ