শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

হামাসের হাতে বন্দী নারীর মুখে ফিলিস্তিনী যুদ্ধাদের ভুয়সী প্রশংসা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

।।জহিরুল ইসলাম।।

দখলদার ইসরায়েল আর মুক্তিকামী হামাসের মধ্যে চলছে ভয়াবহ যুদ্ধ। গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইসরায়েলি মিডিয়াগুলো হামাসের বিরুদ্ধে সরবরাহ করছে যতসব মিথ্যা তথ্য। হামাসের মুক্তিযোদ্ধাদের সন্ত্রাস আখ্যা দিয়ে তাদের দিকে ছুড়ে দিচ্ছে এমন সব অভিযোগের তীর, যেগুলোতে ইস রা য়েল লিপ্ত রয়েছে দীর্ঘ পঁচাত্তর বছর ধরে। ইস রা য়েলি মিডিয়াগুলোর মিথ্যার ভিতকে কাঁপিয়ে দিয়ে এবার সামাজিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলো অভূতপূর্ব এক ভিডিও। সেই ভিডিওতে কথা বলেছেন হামাসের হাতে বন্দী হয়ে পরবর্তী সময়ে মুক্তি পাওয়া এক ইসরায়েলী নারী। ভিডিওতে ওই নারী তার মুক্তি পাওয়ার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, হামাস যোদ্ধাদের সাথে যখন আমরা হেঁটে যাচ্ছিলাম,  তখন আমার ছোট্ট ছেলে নেগেভ ছিল তাঁদের একজনের কাঁধে। আর মেয়ে এশেল ছিল আমার কোলে।

বিস্ময় প্রকাশ করে ইসরায়েলি নারী বলেন, যে সুরক্ষিত ঘরে তারা আমাকে এবং আমার দুই শিশুকে রেখেছিল, সেখান থেকে বের করার সময় তাঁরা আমার প্রতি সম্মান দেখিয়ে কিছু কাপড় দেয়; যেন আমি আমার দেহাবয়ব পুরোপুরি আবৃত করে নেই। এরপর তাঁরা আমাকে আমার বাড়িতে ফিরে যেতে বলে।

ফিরে আসার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত ওই নারী কেঁদে কেঁদে বলেন, নিরাপত্তা প্রাচীরের ওপাশে আমি ছিলাম গা জার উপকণ্ঠে। শহরের বাড়িগুলো ছিল আমার সামনে। এখানেই তাঁরা আমার ছেলেকে কাঁধ থেকে নামিয়ে আমাদের ঘরে ফিরে যেতে বলে। এভাবে আমরা নিরাপদে ফিরে এসেছি।

ওই নারী আরও বলেন, তারা আমার কাছে ভিড়েনি কখনোই। আমাকে বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে। আমি খুব শান্তভাবে আমার ঘরে ফিরে এসেছি। তাঁদের কথায় আমি আশ্বস্ত ছিলাম যে, বাড়িতে ফিরতে পারব।
সূত্র: আল জাজিরা

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ