বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঈদের দিনে পরীক্ষা: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ জামাত, মুসল্লির সংখ্যা ৫! থেমে নেই ইসরায়েলি বিমান হামলা: নিহত আরও দুই ফিলিস্তিনি শরীয়তের আলোকে ঈদুল আজহার দিনের করণীয় ও বর্জনীয় ঈদ স্পেশাল গরুর গোশত রান্না করুন সহজেই পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ‘সাধারণ আলেম সমাজ’-এর ৭১ সদস্যের কমিটিতে যারা স্থান পেলেন

"কোরবানির পশুর ছবি শেয়ার: ইবাদত না রিয়া?"

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাজমুল হাসান।

কোরবানির ঈদ মানেই ত্যাগ ও আত্মনিয়োগের শিক্ষা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই ত্যাগের চর্চা অনেকটাই ভিন্নরূপে প্রকাশ পাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। ঈদের আগে থেকেই শুরু হয় পশু কেনা, আর তার সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে শুরু হয় ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার ধুম।

বিশেষ করে দামি, সুসজ্জিত বা ব্যতিক্রমী কোরবানির পশুর ছবি ও ভিডিও ভাইরাল করতে মরিয়া হয়ে পড়েন অনেকেই। কেউ ক্যাপশনে লেখেন—“আলহামদুলিল্লাহ আমার কোরবানি”, কেউ আবার পশুর দামে চমকে দেন দর্শককে।

ধর্মীয় স্কলাররা বলছেন, এই প্রবণতা রিয়া বা লোক দেখানোর ঝুঁকি তৈরি করে। ইসলাম মতে, কোরবানি একটি পবিত্র ইবাদত, যার ভিত্তি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি। লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করলে সেই ইবাদতের মূল আত্মা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদরা বলেন, কোরবানির পশুর ছবি শেয়ার করা যদি অহংকার, প্রশংসা পাওয়ার মনোভাব বা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে হয়—তাহলে তা নিন্দনীয়। আর যদি হয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বা নসিহতের উদ্দেশ্যে—তবুও উচিত হয় সংযম বজায় রাখা।

তাই ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কোরবানির পশু নিয়ে ছবি শেয়ার করা সতর্কতার সঙ্গে করা উচিৎ। কারণ, ইবাদতের অন্তর নির্ভরতার বিষয়—তাতে লোক দেখানো প্রবেশ করলে ইবাদত আর ইবাদত থাকে না, হয়ে ওঠে আত্মপ্রদর্শনের এক মাধ্যম।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ