শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

"কোরবানির পশুর ছবি শেয়ার: ইবাদত না রিয়া?"

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাজমুল হাসান।

কোরবানির ঈদ মানেই ত্যাগ ও আত্মনিয়োগের শিক্ষা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই ত্যাগের চর্চা অনেকটাই ভিন্নরূপে প্রকাশ পাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। ঈদের আগে থেকেই শুরু হয় পশু কেনা, আর তার সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে শুরু হয় ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার ধুম।

বিশেষ করে দামি, সুসজ্জিত বা ব্যতিক্রমী কোরবানির পশুর ছবি ও ভিডিও ভাইরাল করতে মরিয়া হয়ে পড়েন অনেকেই। কেউ ক্যাপশনে লেখেন—“আলহামদুলিল্লাহ আমার কোরবানি”, কেউ আবার পশুর দামে চমকে দেন দর্শককে।

ধর্মীয় স্কলাররা বলছেন, এই প্রবণতা রিয়া বা লোক দেখানোর ঝুঁকি তৈরি করে। ইসলাম মতে, কোরবানি একটি পবিত্র ইবাদত, যার ভিত্তি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি। লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করলে সেই ইবাদতের মূল আত্মা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদরা বলেন, কোরবানির পশুর ছবি শেয়ার করা যদি অহংকার, প্রশংসা পাওয়ার মনোভাব বা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে হয়—তাহলে তা নিন্দনীয়। আর যদি হয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বা নসিহতের উদ্দেশ্যে—তবুও উচিত হয় সংযম বজায় রাখা।

তাই ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কোরবানির পশু নিয়ে ছবি শেয়ার করা সতর্কতার সঙ্গে করা উচিৎ। কারণ, ইবাদতের অন্তর নির্ভরতার বিষয়—তাতে লোক দেখানো প্রবেশ করলে ইবাদত আর ইবাদত থাকে না, হয়ে ওঠে আত্মপ্রদর্শনের এক মাধ্যম।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ