সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

কালেকশন কি ভিক্ষাবৃত্তি?—দৃষ্টিভঙ্গির এক নির্মম বিকৃতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| ওলিউল্লাহ্ মুহাম্মাদ ||

এলমে দ্বীন রক্ষার জন্য কওমী মাদ্রাসাগুলো আজ যে অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে, তা নিঃসন্দেহে মহান আল্লাহ তাআলার ফজল এবং মুসলিম জনসাধারণের দান ও সহযোগিতার বরকতেই সম্ভব হয়েছে। কওমী মাদ্রাসা কোনো সরকারিভাবে পরিচালিত বা পুঁজিবাদী পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান নয়। এর প্রতিটি ইট, প্রতিটি খরচ, প্রতিটি কার্যক্রমই জনসাধারণের ঈমানী চেতনা ও সহযোগিতার ফল। আর এই সহযোগিতা পৌঁছাতে হলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিরুপায় হয়ে দ্বারে দ্বারে যেতে হয়—যার নাম আমরা “কালেকশন” বলি।

কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আজ অনেকেই এই পবিত্র দায়িত্বকে হেয় চোখে দেখেন, তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে ব্যঙ্গ করেন। অনেকে বলেন, “মাদ্রাসাগুলো ভিক্ষাবৃত্তির আশ্রয় নিচ্ছে”, “ছাত্ররা তো ভিক্ষা করে বেড়ায়”। অথচ তারা এটাই বোঝেন না—এটা ভিক্ষা নয়, বরং এটা উম্মতের এক সম্মানজনক দায়িত্ব, যা দীনের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখার অংশ।