শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ।। ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জেলা হাসপাতালগুলোকে জনবান্ধব সেবাকেন্দ্র বানাতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার’ ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বন্যা দুর্গত এলাকায় বিদ্যুৎ সচল রাখতে প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা  ইসলামিক স্টাডিজে গবেষণা পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিস ঢাকা পূর্ব জোনের ষান্মাসিক জোনাল বৈঠক অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফায় শাহজালাল (রহ.) মাজারে টাকা মিলল ৪৭ লাখের বেশি ধর্মমন্ত্রীর তহবিল থেকে মুরাদনগরে ১০ লাখ টাকার অনুদান বিতরণ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের জরুরি নির্দেশনা বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো ঈমানি ও মানবিক দায়িত্ব: আমিরে মজলিস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

‘সব কিন্ডারগার্টেন এক বছরের মধ্যে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব কিন্ডারগার্টেন স্কুলকে বিধিমালা অনুযায়ী নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান ও জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে সচিব এ কথা বলেন।

বহুদিন ধরে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলে সচিব বলেন, এ বিষয়ে আমরা টার্গেট নিয়ে কাজ করছি। এ বছর অ্যানুয়াল প্রাইমারি সেন্সাসে দেখেছি নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন বা বেসরকারি পর্যায়ে স্কুলের সংখ্যা একটু কমে গিয়েছিল। এ বছর ৮০০-এর মতো আরও বেড়েছে, সব মিলিয়ে ৪৪ হাজারের কাছাকাছি।

তিনি বলেন, বিধিমালা জারির পরে মাঠ পর্যায়ে যে কাজ করছে, সেই অনুযায়ী এরই মধ্যে ২০ শতাংশ বেসরকারি পর্যায়ের স্কুল (কিন্ডারগার্টেন) একাডেমিক স্বীকৃতি বা নিবন্ধনের আওতায় চলে এসেছে। আমরা আশাবাদী আগামী এক বছরের মধ্যে আমাদের যে লক্ষ্যমাত্রা সব বেসরকারি প্রাথমিক পর্যায়ের স্কুলগুলোকে একাডেমিক স্বীকৃতি এবং নিবন্ধনের আওতা চলে আসবে।

‘আমরা কিন্তু বসে নেই। মাত্র দু-তিন মাস আগেও এটা ছিল ৮ থেকে ৯ শতাংশ। এখন ২০ শতাংশ নিবন্ধন বা একাডেমিক স্বীকৃতির আওতায় চলে এসেছে। আমাদের টার্গেট আগামী এক বছরের মধ্যে সবগুলো প্রতিষ্ঠান একাডেমিক স্বীকৃতি বা নিবন্ধনের আওতায় চলে আসবে।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বলেন, আমরা পাওয়ার ডেলিগেট (ক্ষমতা ন্যস্ত) করে দিয়েছি এবং টাইম বাউন্ড করে দিয়েছি। আবেদন করার ৩০ দিনের মধ্যে সে সিদ্ধান্ত পাবে। নিবন্ধন হলেও সিদ্ধান্ত পাবে, না হলেও কেন হলো না সেই সিদ্ধান্ত পাবে। ফেলে রাখার কোনো সুযোগ নেই।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ