রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮


‘আস-সুন্নাহ ক্যারিয়ার সামিট’ অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আস-সুন্নাহ ক্যারিয়ার সামিট ২০২৬’।

শনিবার (২৯ আগস্ট) আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী এ সামিট অনুষ্ঠিত হয়।

আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন কোর্সের বর্তমান শিক্ষার্থী, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অ্যালামনাই ও প্রশিক্ষকদের অংশগ্রহণে সামিটটি পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।

দিনব্যাপী আয়োজনে মার্কেটিং ও উদ্ভাবন, সেলফ ব্র্যান্ডিং ও ডিজিটাল উপস্থিতি, ব্যবসা ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন, পেশাগত ক্যারিয়ার প্রস্তুতি এবং ইন্টারভিউ কৌশলসহ ক্যারিয়ার-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে দেশের অভিজ্ঞ পেশাজীবী, উদ্যোক্তা ও করপোরেট বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন।

সেশন পরিচালনা করেন এএসআইএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ ইকবাল, লাইফ ও বিজনেস কোচ জাভেদ পারভেজ, স্টারকম বাংলাদেশের গ্রুপ ডিরেক্টর মোহাম্মদ সারওয়ার বিন আনিস এবং ‘টু সেন্টস পডকাস্ট’-এর নাফিস সালিমসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘আমাদের অধিকাংশ শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা। তাদের অনেকেরই এ ধরনের মানসম্পন্ন প্রফেশনাল সেশন ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ খুবই সীমিত। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা তাদের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দিচ্ছি। এ ধরনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেই দক্ষতাকে আরও সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী করে তুলতে চাই।’

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের যোগাযোগ ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ফারিদ উদ্দিন খান বলেন, ‘আমরা চাই, একজন শিক্ষার্থী শুধু একটি কোর্স শেষ করেই থেমে না থাকুক; বরং তার জন্য একটি শক্তিশালী পেশাগত নেটওয়ার্ক, মেন্টরশিপ এবং পরবর্তী পর্যায়ের শেখার সুযোগ তৈরি হোক। আজকের সামিট সেই ধারাবাহিকতারই একটি অংশ। ভবিষ্যতে দেশের আরও বড় পরিসরে এ ধরনের উদ্যোগ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।’

আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, ২০২৪ সালে প্রায় ১৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ২ হাজার ১৭৯ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা পরবর্তী এক বছরে, অর্থাৎ ২০২৫ সালে, সম্মিলিতভাবে প্রায় ৪২ কোটি টাকা আয় করেছেন।

দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির এ সাফল্যকে বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে তুলে ধরা হয়।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ