বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৩ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
পাক সেনাবাহিনীকে দায়িত্বশীল ও পরিমিত ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানাল আফগানিস্তান ইত্তিহাদুল উলামা বাড্ডার উদ্যোগে ঐতিহাসিক সীরাত মাহফিল ৯ জানুয়ারি আফগানিস্তানের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ তুর্কি কোম্পানিগুলোর  শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের খতমে বুখারী ও দোয়া মাহফিল ১২ জানুয়ারি শীতে কেন উপকারী খেজুর গুড় জকসু নির্বাচনে চার কেন্দ্রের শীর্ষ তিন পদে এগিয়ে শিবির জেলা দায়িত্বশীলদের প্রতি জমিয়তের একগুচ্ছ নির্দেশনা ‘জামায়াত আমিরের বক্তব্য অজ্ঞতার শামিল, তওবা করা উচিত’ গণভোটের প্রচারে যুক্ত করা হচ্ছে ইমামসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে  বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে ৮ মুসলিমকে মারধর

শ্রমিকদের জীবন হয়তো সস্তা, তাদের মৃত্যু আমাদের আলোড়িত করেনি: শায়খ আহমাদুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীর মিরপুরে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মৃত্যুর জন্য দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার সংস্কৃতি কবে চালু হবে—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রখ্যাত ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি নিহতদের পরিবারকে সামান্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে দায় সারার এবং তদন্তের নামে ‘তামাশা’ করার প্রচলিত রীতির কড়া সমালোচনা করেছেন।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) ফেসবুক স্ট্যাটাসে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয় মিরপুরের অগ্নিকাণ্ডে নিহতরা স্বেচ্ছায় আগুনে ঝাঁপ দেয়নি! তাহলে এতগুলো তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়ার পেছনে নিশ্চয় কারো না কারো ত্রুটি কিংবা দায় আছে।’

শায়খ আহমাদুল্লাহ বর্তমান দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপটকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে না দেখে একে এক প্রকার ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘প্রতিটি দুর্ঘটনার পর (পড়ুন হত্যাকাণ্ড) আমরা নিহতের পরিবারকে দায়সারা গোছের সামান্য কিছু টাকা ধরিয়ে দিই এবং তদন্তের নামে তামাশা করি।’

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কবে আমরা দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে উপযুক্ত বিচার নিশ্চিত করতে পারব? কবে নিহতের পরিবার সত্যিকারের ক্ষতিপূরণ পাবে? প্রচলিত সিস্টেম কি আদৌ সে নিশ্চয়তা দিতে পারবে?’

এই ঘটনায় গণমাধ্যম ও জনমনে যথেষ্ট আলোচনা না হওয়া নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। তার মতে, মিরপুরের ঘটনা যতটা আলোচিত হওয়ার দরকার ছিল, তার সিকিভাগও মিডিয়া কাভারেজ পায়নি।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের কাছে শ্রমিকের জীবনের মূল্য হয়তো সস্তা। তাইতো তাদের মৃত্যু আমাদেরকে আলোড়িত করেনি।’

জনমনে সৃষ্টি হওয়া এই প্রশ্নটিই এখন সামনে আসছে- দেশের কর্মক্ষেত্রগুলোতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এমন দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কবে কঠোর পদক্ষেপ নেবে?

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ