শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ।। ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
জায়নুল উলুম মাদরাসার নতুন মুহতামিম ও নির্বাহী মুহতামিম নির্বাচিত সহপাঠীর জানাজায় যেতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল তরুণ আলেমের শাহজালালের (রহ.) মাজারের দানবাক্স ব্যবস্থাপনায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইসলামী আন্দোলন নেতার মৃত্যু, জানাজায় সহকর্মীদের ঢল মাছ-মুরগি থেকে সবজি, সবখানেই চড়া দাম কওমি শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও শিক্ষা বিষয়ক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা পাবেন আধুনিক অস্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ও মুসলিম রাজনীতি মক্কা-মদিনায় জায়গা কিনতে চান? তথ্যগুলো আপনার জন্য ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বরগুনার আমতলী উপজেলার এক মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মো. হৃদয় খান (২০) নামে এক যুবকের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এ ঘটনায় মো. জাহিদুল ইসলাম (১৯) নামে আরেক সহযোগীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম লায়লাতুল ফেরদৌস এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি বরগুনার আমতলী উপজেলায় ১২ বছর বসয়ী এক কিশোরীকে অপহরণ করে হৃদয় খান। পরে ওই কিশোরীর স্বজনদের কাছে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তিনি। তবে মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে ওই মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে একটি খালের মধ্যে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন তিনি। এ সময় হৃদয়কে মরদেহ লুকাতে সহযোগিতা করেন পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রাপ্ত জাহিদুল। পরবর্তীতে পুলিশের তৎপরতা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মুক্তিপণ চাওয়ার সূত্র ধরে হৃদয় ও জাহিদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আমতলীর একটি খাল থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ১৭ জনের সাক্ষ্য ও ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রমাণ অনুযায়ী হৃদয় খানের বিরুদ্ধে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ লুকানোর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এ ছাড়া, মরদেহ লুকাতে সহযোগিতা করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জাহিদুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ