বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পুকুরে গোসলে নেমে প্রাণ গেল দুই মাদরাসা ছাত্রের দুই হিন্দু অনাথ ভাইকে মানুষ করে বিয়ে দিলেন মুসলিম দম্পতি বিজয় দিবসে ৮ হাজার ২৯৯ বন্দিকে মুক্তি দিলো তালেবান সরকার ইউপি নির্বাচনে ফের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন রফিকুজ্জামান অনু নূরানী তালীমুল কুরআন বোর্ডের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি চলছে জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ফুটপাত দখল করে ব্যবসা নয়, নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত সংসদ মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ‘জাতিসংঘ সভাপতির পদ কোনো এক দেশের স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ নেই’ 

এ কেমন রোজা?:মুফতি তাকি উসমানি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাহিনুর মিয়া রোজা তো -মাশাআল্লাহ- বড় আগ্রহের সাথেই রাখেন। কিন্তু রোজার অর্থ কী? রোজার অর্থ হচ্ছে, খানা-পিনা এবং প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ থেকে বিরত থাকা। রোজার সময় এ তিনটি বিষয় অবশ্যই পরিত্যাগ করতে হয়।

এবার লক্ষ্য করুন! এ তিনটি বিষয় এমন যা মূলত হালাল। খাবার খাওয়া, পানি পান করা এবং বৈধ পদ্ধতিতে স্বামী-স্ত্রী তাদের প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ করা হালাল। রোজার দিন গুলোতে আপনি এসব হালাল বিষয় গুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখা। অর্থাৎ- আপনি খাচ্ছেন না, পানও করছেন না ইত্যাদি।

কিন্তু যেগুলো পূর্ব থেকেই হারাম ছিল। যথা- মিথ্যা বলা, গিবত করা, কুদৃষ্টি দেয়া এগুলো পূর্ব থেকেই হারাম ছিল। অথচ এখন রোজাও রাখা হচ্ছে- মিথ্যা কথাও বলা হচ্ছে, গিবতও করা হচ্ছে, কুদৃষ্টিও দেয়া হচ্ছে, রোজাদার অথচ সময় কাটানোর নামে নোংরা ফিল্মও দেখছে।

তাহলে আমার প্রশ্ন, পূর্ব থেকে হালাল বিষয়সমূহও রোজার ভিতর ত্যাগ করা হলো অথচ হারামসমূহ ত্যাগ করা হলো না, তাহলে এটা রোজা হলো কি?

তাই তো হাদীস শরীফে নবি করিম সা: বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা বলেন- যে ব্যক্তি রোজার মধ্যে মিথ্যা কথা ছাড়ে না, তার ক্ষুধার্ত আর পিপাসার্ত থাকায় আমার কোন প্রয়োজন নেই।’ [আল হাদীস]

যেহেতু মিথ্যা কথাই ছাড়েনি যা পূর্ব থেকে হারাম, তবে খানা-পিনা ছেড়ে সে এমন বড় কী আমল করে ফেলল!

সূত্র: ইসলাহী খুতুবাত


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ