বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ‘জাতিসংঘ সভাপতির পদ কোনো এক দেশের স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ নেই’  সর্বস্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে শিক্ষক ফোরামের সম্মেলন কাল নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ২৮৯ তরুণ আলেমের নতুন উদ্যোগ, আসছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্রিয় মাদরাসা’ জলাবদ্ধতা নিরসনে গলাপানিতে নেমে খাল পরিষ্কার করলেন মুহাম্মদুল্লাহ এমপি বাবুনগর মাদরাসায় সীরাতুন্নবী (সা.) সেমিনার ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে জমিয়তের গভীর শোক পরিবার মজবুত হলে সমাজ মজবুত হবে: মাওলানা মাহমুদ মাদানী বিএনপির মামলা প্রত্যাহার হলেও হেফাজতের মামলা বহাল: দেওনা পীর

যে পাঁচ দিন রোজা রাখা নিষেধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রোজা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান। একজন মুসলিমকে ইসলামের যে মৌলিক বিষয়গুলো মেনে চলতে হয় তার একটি রোজা। বছরে এক মাস রোজা রাখা ফরজ। এছাড়াও পুরো বছর প্রত্যেক সপ্তাহ, মাস ও বিশেষ দিনে বেশ কিছু নফল রোজা রয়েছে। যা পালনে বিশেষ সওয়াবের কথা বর্ণিত হয়েছে হাদিসে।

পবিত্র রমজানের ফরজ রোজার দিনগুলো ছাড়া যেকোনও দিন নফল রোজা রাখা যায়। তবে বছরে এমন পাঁচটি দিন রয়েছে, যে দিনগুলোতে ফরজ, নফল কোনও রোজাই রাখা যায় না। হাদিসে এদিনগুলোতে রোজা রাখাকে হারাম বলা হয়েছে।

ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা ও আইয়ামে তাশরিক

এই ৫ দিন হলো- ঈদুল ফিতরের (১ শাওয়াল) দিন। ঈদুল আজহার (১০ জিলহজ) দিন। তাশরিকের দিনগুলোতে রোজা রাখাও হারাম। অর্থাৎ জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখের দিন।

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, ‘নবী (সা.) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৯২; মুসলিম, হাদিস : ৮২৭)

আরেকটি হাদিসে আবু উবাইদা (রা.) বলেন, আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। তিনি বলেছেন, এ দুই দিনের রোজা রাখাতে নবী (সা.) নিষেধ করেছেন। প্রথম দিন হলো- যখন তোমরা রোজা শেষ করো; আর দ্বিতীয় দিন হলো- যখন তোমরা কোরবানির গোস্ত খাবে। (বুখারি : ২/২৭২; হাদিস : ১৮৫১)

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ