শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নিলামে কেনা সম্পত্তিতে ভ্যাট না দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের এবার হোয়াটসঅ্যাপেই পরিশোধ করা যাবে বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ সব বিল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভয়াবহ ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ৩ সংগঠনের আদর্শ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কাউকে ছাড় নয়: ছাত্র জমিয়ত সভাপতি নাঙ্গলকোটের ব্যতিক্রমী সীরাত মাহফিল ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত দলীয় প্রশাসন নয়, নিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থা চায় জনগণ: আমিরে মজলিস বিশ্বের ফতোয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয় জোরদারে কৌশলগত উদ্যোগ, মিসরে বৈঠক সরবরাহ বন্ধ: পানির ভয়াবহ সংকটে গাজার ১০ লাখ মানুষ মানব জীবনে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহর বাস্তবায়ন অপরিহার্য: আজিজুল হক ইসলামাবাদী মদিনার সব মসজিদে নারীদের জন্য নামাজের স্থান খোলা থাকবে

হুমায়ুন আজাদ হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলায় চার জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আল-মামুন এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক, আনোয়ার আলম ওরফে ভাগিনা শহিদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু।

এর আগে গত ২৭ মার্চ ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আল-মামুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন।

২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সামনে হামলার শিকার হন হুমায়ুন আজাদ। তাকে চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনার পরদিন তার ভাই মঞ্জুর কবির রাজধানীর রমনা থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা করেন।

ওই হামলার পর ২২ দিন রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এবং ৪৮ দিন থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন হুমায়ুন আজাদ। পরে জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১২ আগস্ট মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।

২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল সিআইডির পরিদর্শক লুৎফর রহমান পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে হত্যা এবং বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক, আনোয়ার আলম ওরফে ভাগিনা শহিদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন, হাফিজ মাহমুদ ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু। আসামিদের মধ্যে মিনহাজ ও আনোয়ার কারাগারে। সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ পলাতক। এছাড়া হাফিজ মারা গেছেন।

এ মামলায় মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক ও আনোয়ার আলম ওরফে ভাগিনা শহিদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যা মামলায় ৫৮ সাক্ষীর মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৪১ জন সাক্ষ্য দেন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ