শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মসজিদকে পরিবর্তনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার দায়িত্ব ইমামদের’ শীঘ্রই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে: ত্রাণমন্ত্রী জেদ্দায় ইসলামি ফিকহ একাডেমির সেমিনারে যোগ দিচ্ছেন মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ ইত্তেফাকুল উলামা নেত্রকোনা জেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৮৮ সারা দেশে আগামী ৫ দিন বৃষ্টির আভাস জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই ভারতের জেন-জির প্রতি যে আহ্বান জানালেন মাওলানা আরশাদ মাদানী মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু

‘মৃত’ ঘোষণার পর এবার বিতর্কিত লেখিকা তসলিমাকে নিষিদ্ধ করলো ফেসবুক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কিছুদিন আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক তাকে ‘মৃত’ ঘোষণা করেছিল। এবার সাময়িক নিষিদ্ধ করেছে তসলিমা নাসরিনকে। এটি তার এ ধরনের নিষিদ্ধ হওয়ার দ্বিতীয় ঘটনা।

ধারণা করা হচ্ছে, বিতর্কিত পোস্টের কারণেই তার বিরুদ্ধে এমন নিষেধাজ্ঞা। ২১ ফেব্রুয়ারিও মাতৃভাষা নিয়ে ফেসবুকে লিখেছিলেন তসলিমা নাসরিন। মাতৃভূমি বাংলাদেশে রেখে আসা স্মৃতি তুলে ধরেছিলেন ভারতে অবস্থানকারী লেখিকা। কীভাবে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়, সে নিয়ে লিখেছিলেন তিনি।

ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমের পডকাস্টে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছিলেন বিতর্কিত এ লেখিকা। এরপরই ফেসবুকে সাময়িক নিষিদ্ধ হলেন তিনি। নিষিদ্ধ করা হয়েছে তার পোস্ট। সে কথা তসলিমা ব্যঙ্গের সুরে তার পেজে লিখেছেন, ‘আমার জন্য একুশে ফেব্রুয়ারির উপহার!’

বাংলাদেশে কীভাবে ধাপে ধাপে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি সে কথা ফেসবুকে বলেছিলেন তসলিমা।

নিষিদ্ধ হওয়া বিষয়ে ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে ২৮ দিন তার পোস্ট সবার নিচে থাকবে। ৪৫ ঘণ্টা তিনি কোনো পোস্ট বা মন্তব্য লিখতে পারবেন না। আগামী পাঁচ দিন তিনি কোনো ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিতে পারবেন না।

এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি ভারতীয় অভিনেত্রী শাঁওলি মিত্রের মৃত্যুর পরেই মৃত্যু সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিয়েছিলেন তসলিমা। সেই পোস্টে তার ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন। প্রথম পংক্তিতেই লিখেছিলেন, ‘আমি চাই আমার মৃত্যুর খবর প্রচার হোক চারদিকে। প্রচার হোক যে আমি আমার মরণোত্তর দেহ দান করেছি হাসপাতালে, বিজ্ঞান গবেষণার কাজে।’

এতে ফেসবুক বুঝে নিয়েছিল, লেখিকা আর বেঁচে নেই! সাথে সাথে তার আইডিতে ‘রিমেমবারিং’ শব্দ যোগ করে দেয়।

সে সময়ও তসলিমা বিদ্রূপ করে লিখেছিলেন, ‘জি-হা-দিদের প্ররোচনায় ফেসবুক আমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছিল প্রায় একুশ ঘণ্টা আগে। এই একুশ ঘণ্টায় আমি পরকালটা দেখে এসেছি।’

গত নভেম্বরেও একইভাবে ফেসবুক নিষিদ্ধ করেছিল তাকে। সেই সময়ে তসলিমার দাবি ছিল, ‘জেহাদ, জেহাদি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কিছু লিখলেই আমার মতো একজন মানবাধিকারকর্মীকে নিষিদ্ধ করছে ফেসবুক।’ সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ