শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেল ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ সেরা হজ গাইডদের পুরস্কার ৫ লাখ টাকা, ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর ঘোষণা ১১৫ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় মাওলানা আরশাদ মাদানীর ক্ষোভ ইসলামী আন্দোলন মুলাদী উপজেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের জীবন পড়ে জার্মান নারীর ইসলাম গ্রহণ ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের কর্মযজ্ঞ ‘মসজিদকে পরিবর্তনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার দায়িত্ব ইমামদের’ শীঘ্রই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে: ত্রাণমন্ত্রী জেদ্দায় ইসলামি ফিকহ একাডেমির সেমিনারে যোগ দিচ্ছেন মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ ইত্তেফাকুল উলামা নেত্রকোনা জেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা

উইঘুর ইস্যুতে মানবাধিকার প্রধানের চীন সফর করা উচিত: জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মানবাধিকার সংস্থার প্রধানকে চীনের জিনজিয়াং সফর করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসে।

শুক্রবার জাতিসংঘ প্রধান জার্মানিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত উলফগ্যাং ইশিংগারের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। খবর ভয়েস অব আমেরিকার।

গুতেরেস বলেন, মানবাধিকার প্রধানের চীনের আধা-স্বায়ত্তশাসিত জিনজিয়াং প্রদেশে একটি বিশ্বাসযোগ্য সফর করা উচিত। যেখানে জাতিগত উইঘুর এবং তুর্কি মুসলিম সংখ্যালঘুরা বাস করে।

তিনি বলেন, এটি চীনের স্বার্থের জন্যই। তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে, তা যদি সত্যি না হয়ে থাকে, তাহলে হাইকমিশনারের চীন সফরে চীনেরই লাভ হবে। আর এই সফর যাতে হয়, তার জন্য আমরা সব কিছুই করব।

তিনি আরও বলেন, যদি এটি না হয়, তাহলে অবশ্য হাইকমিশনার তার ওপর অর্পিত ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট গত তিন বছর ধরে জিনজিয়াং সফর নিয়ে আলোচনার চেষ্টা করছেন।

চীনা কর্মকর্তারা সম্প্রতি বলেছেন, তাকে আলোচনার জন্য আসতে দেওয়া হবে, তবে তদন্তের জন্য নয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অধিকার গোষ্ঠী এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরকার, বেইজিংকে নির্যাতন, জোরপূর্বক বন্ধ্যাকরণ, যৌন সহিংসতা এবং জোরপূর্বক শিশুদের বিচ্ছেদসহ উইঘুরের অধিকারের গুরুতর লংঘনের জন্য অভিযুক্ত করে। তাদের ব্যাপক নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং দশ লাখেরও বেশি উইঘুরকে আটক শিবিরে পাঠানো হয়েছে।

তবে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে চীন। তারা বলেছে, জিনজিয়াং স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধি উপভোগ করে। বেইজিং তার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য অন্য দেশকেও কটাক্ষ করেছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ