শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা-প্রজন্ম সম্মেলন সফল করতে মজলিসে শুরার যৌথ সভা নবীপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেল ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ সেরা হজ গাইডদের পুরস্কার ৫ লাখ টাকা, ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর ঘোষণা ১১৫ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় মাওলানা আরশাদ মাদানীর ক্ষোভ ইসলামী আন্দোলন মুলাদী উপজেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের জীবন পড়ে জার্মান নারীর ইসলাম গ্রহণ ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের কর্মযজ্ঞ ‘মসজিদকে পরিবর্তনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার দায়িত্ব ইমামদের’ শীঘ্রই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে: ত্রাণমন্ত্রী জেদ্দায় ইসলামি ফিকহ একাডেমির সেমিনারে যোগ দিচ্ছেন মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ

জাহান্নামীদের খাবার ও পানীয় যেমন হবে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের।।

হজরত আবুদ্দারদা রাজিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, ‘জাহান্নামবাসীদের উপর ক্ষুধাকে চাপিয়ে দেওয়া হবে। ক্ষুধার যাতনা তাদের কাছে মনে হবে জাহান্নামের সমস্ত শাস্তিকে এখানে একত্র করে দেওয়া হয়েছে।

তখন তারা খাবার প্রার্থনা করবে। তাদেরকে কাঁটাদার বৃক্ষের ফল দেওয়া হবে। যে ফলের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনুল কারীমে ইরশাদ করেছেন, لَا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِي مِنْ جُوعٍ (এটা তাদেরকে পুষ্ট করবে না এবং ক্ষুধায়ও উপকার করবে না। সুরা গাশিয়া: আয়াত—৭)

তারপর তারা আবার খাবার প্রার্থনা করবে। তখন গলায় এঁটে যায় এমন কাঁটাদার বৃক্ষের ফল তাদেরকে খাবার হিসাবে প্রদান করা হবে। যা গিয়ে তাদের গলায় আটকে যাবে।

দুনিয়ায় কাঁটা বিঁধলে পানি দ্বারা সরানো হতো— তাদের এই কথাটি মনে হবে। (তখন তারা পানির কামনা করবে) তখন জাহান্নামের হুক দ্বারা গরম পানি তাদের দিকে উঠিয়ে নিয়ে আসা হবে। অতপর যখন সেটি তাদের চেহারার কাছে নিয়ে আসা হবে, তখন তাদের চেহারাকে জ্বালিয়ে দিবে। যখন পানি তাদের পেটের ভিতর চলে যাবে, তখন তাদের পেটের ভিতর থাকা সবকিছুকে ছিন্নভিন্ন করে দিবে।

তখন তারা বলবে, তোমরা জাহান্নামের রক্ষীর সাথে কথা বলো। তারা জাহান্নামের রক্ষীর কাছে আবেদন করে বলবে, ادْعُوا رَبَّكُمْ يُخَفِّفْ عَنَّا يَوْمًا مِنَ الْعَذَابِ (তোমরা তোমাদের রবকে বলো, তিনি যেনো আমাদের থেকে একদিনের আজাব লাঘব করে দেন। সুরা মুমিন: আয়াত—৪৯)

তখন উত্তরে তাদেরকে বলা হবে, أَوَلَمْ تَكُ تَأْتِيكُمْ رُسُلُكُمْ بِالْبَيِّنَاتِ قَالُوا بَلَى قَالُوا فَادْعُوا وَمَا دُعَواُ الْكَفِرِينَ إِلَّا فِي ضَلَالٍ (তোমাদের কাছে কি সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ তোমাদের রাসূল আসেননি? তারা বলবে, হ্যাঁ। রক্ষীরা বলবে, তবে তোমরাই দোয়া করো। বস্তুত কাফেরদের দোয়া নিষ্ফলই হয়। সুরা মুমিন: আয়াত—৫০)

তখন তারা বলবে, তোমরা মালিক ফিরিস্তার সাথে কথা বলো। তখন তারা মালিক ফিরিস্তাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, يَا مَالِكُ لِيَقْضِ عَلَيْنَا رَبُّكَ (হে মালিক! আপনার পালনকর্তা আমাদের কিসসাই শেষ করে দিন। সুরা যুখরুফ: আয়াত—৭৭) তখন উত্তরে তাদেরকে বলা হবে, إِنَّكُمْ مَاكِثُونَ (নিশ্চয় তোমরা চিরকাল থাকবে। সুরা যুখরুফ: আয়াত—৭৭)

তখন তাদেরকে বলা হবে, তোমরা তোমাদের রবকে ডাকো। কারণ, তিনি ছাড়া তোমাদের জন্য অধিক কল্যাণকামী কেউ নেই। তখন তারা আল্লাহ তায়ালাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, رَبَّنَا أَخْرِجْنَا مِنْهَا فَإِنْ عُدْنَا فَإِنَّا ظَالِمُونَ (হে আমাদের পালনকর্তা! এ থেকে আমাদেরকে উদ্ধার করো। আমরা যদি পুনরায় তা করি, তবে আমরা গোনাহগার হবো। সুরা মুমিনুন: আয়াত—১০৭)

তখন উত্তরে তাদেরকে বলা হবে, اخْسَئُوا فِيهَا وَلَا تَكَلَّمُونِ (তোমরা ধিকৃত অবস্থায় এখানেই পড়ে থাকো। এবং আমার সাথে কোন কথা বলো না। সুরা মুমিনুন: আয়াত—১০৮)

হজরত আবুদ্দারদা রাজিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, এই সময় তারা সমস্ত প্রকারের কল্যাণ থেকে হতাশ হয়ে যাবে। এবং চিৎকার, চেচামেচি ও নিজেদের ধ্বংস কামনা করতে থাকবে। সূত্র: সিফাতুন নার লি ইবনি আবিদ দুনিয়া

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ