শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা-প্রজন্ম সম্মেলন সফল করতে মজলিসে শুরার যৌথ সভা নবীপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেল ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ সেরা হজ গাইডদের পুরস্কার ৫ লাখ টাকা, ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর ঘোষণা ১১৫ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় মাওলানা আরশাদ মাদানীর ক্ষোভ ইসলামী আন্দোলন মুলাদী উপজেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের জীবন পড়ে জার্মান নারীর ইসলাম গ্রহণ ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের কর্মযজ্ঞ ‘মসজিদকে পরিবর্তনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার দায়িত্ব ইমামদের’ শীঘ্রই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে: ত্রাণমন্ত্রী জেদ্দায় ইসলামি ফিকহ একাডেমির সেমিনারে যোগ দিচ্ছেন মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ

রমজান উপলক্ষে চালের দাম না বাড়ার নিশ্চয়তা দিলেন খাদ্য সচিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: খাদ্য সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেছেন, ‘রমজান উপলক্ষে আমি আপনাদের নিশ্চয়তা দিতে পারি, চালের দাম বাড়বে না। কারণ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি মার্চ মাস থেকে শুরু হয়ে যাবে। মার্চ মাস থেকে ৫০ লাখ পরিবার ৩০ কেজি করে চাল পাবে। চালের দাম বাড়বে না ওই সময়।’

আজ বুধবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে সচিব এ কথা বলেন।

খাদ্য সচিব বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম বেড়েছে, শিপিংসহ সব পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। তবে সিন্ডিকেটের কারণে চালের দামে প্রভাব পড়েনি। চাল আমদানি করলে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘খাদ্যের ব্যাপারে তো সরকারের কার্পণ্য নেই। খোলা বাজারে বিক্রিটা আরো বাড়াবো। যদি প্রয়োজন হয় ভোক্তার স্বার্থে সরকারে চাল আমদানি করবে। তবে আমরা এখনই আমদানিতে যাচ্ছি না এই কারণে যে, কে বা কারা যেন প্রমাণ করতে চাচ্ছে, এত খাদ্য উদ্বৃত্ত বলা হচ্ছে, স্বয়ংসম্পূর্ণ বলা হচ্ছে, তারপরও তো আমদানি চলে। ইউএসডিএ (ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচার) বলছে, আমাদের উৎপাদন ভালো, তারপর তারা বলছে আমদানিও করতে হবে। আমরা চাচ্ছি আমদানি না করে যদি স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারি, তাহলে আমরা এটা এস্টাবলিস্ট করতে পারব, আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ।’

নাজমানারা খানুম বলেন, ‘২০ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত আছে। এরপরও মিলাররা আমার কাছে চাল বিক্রি করতে চাচ্ছে। তার মানে কী? মোটা চালের দাম আর বাড়বে না। এটা কমেই যাবে। ধান উঠলে তো আরো কমবে। কোনো দৈব-দুর্বিপাক না হলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে বোরো চাল বাজারে চলে আসবে। ফলে তো ও রকম অবস্থা হওয়ার আশঙ্কা নেই।’

খাদ্য সচিব আরো বলেন, ‘বিভিন্ন পর্যায়ে দাম বাড়ছে। আমি মনে করি এটা কন্ট্রোল হবে সাপ্লাই (সরবরাহ) বাড়ানোর মাধ্যমে।’

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, দেশের সরকারি খাদ্য গুদামের ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ ২১ লাখ মেট্রিক টনের বিপরীতে বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত খাদ্য মজুদের পরিমাণ ২০ লাখ চার হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে চাল ১৭ লাখ ৩৩ হাজার টন ও গমের পরিমাণ দুই লাখ ৭১ হাজার টন। এটি এখন পর্যন্ত মজুতের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এ অবস্থায় দেশে খাদ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা থাকলেও দফায় দফায় বেড়েছে চালের দাম।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ