শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা-প্রজন্ম সম্মেলন সফল করতে মজলিসে শুরার যৌথ সভা নবীপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেল ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ সেরা হজ গাইডদের পুরস্কার ৫ লাখ টাকা, ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর ঘোষণা ১১৫ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় মাওলানা আরশাদ মাদানীর ক্ষোভ ইসলামী আন্দোলন মুলাদী উপজেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের জীবন পড়ে জার্মান নারীর ইসলাম গ্রহণ ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের কর্মযজ্ঞ ‘মসজিদকে পরিবর্তনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার দায়িত্ব ইমামদের’ শীঘ্রই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে: ত্রাণমন্ত্রী জেদ্দায় ইসলামি ফিকহ একাডেমির সেমিনারে যোগ দিচ্ছেন মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ

ক্রেডিট কার্ড চালুর আগেই মাশুল নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ক্রেডিট কার্ড চালুর আগে মাশুল আদায় করা যাবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

ক্রেডিট কার্ড চালুর আগেই অনেক ব্যাংক গ্রাহকদের কাছ থেকে মাশুল আদায় করছে। এসব মাশুল আদায় না হওয়ায় গ্রাহকদের খেলাপি হিসেবে গণ্য করছে। এ পরিস্থিতিতে কোনো কার্ড চালুর আগে গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনো ধরনের মাশুল আদায় না করার নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে এরই মধ্যে কার্ড চালুর আগে অনাদায়ী মাশুলের কারণে যাদের খেলাপি করা হয়েছে, তাদের ঋণের তথ্য নিয়মিত করতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ক্রেডিট কার্ড ইস্যুর পর কার্ড সক্রিয় হওয়ার আগেই ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ধরনের মাশুল (বার্ষিক, সিআইবি, এসএমএস মাশুল) আরোপ এবং অনাদায়ে গ্রাহককে বিরূপ মানে শ্রেণিকরণ করছে। এর ফলে জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ জন্য নতুন করে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ক্রেডিট কার্ড সক্রিয় হওয়ার আগে গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো ধরনের নন-ট্রানজেকশনাল বা লেনদেনবহির্ভূত মাশুল আরোপ করা যাবে না। গ্রাহকের সম্মতি নিয়ে ক্রেডিট কার্ড সক্রিয় করার পর এ ধরনের মাশুল আরোপ করা যাবে। তবে সক্রিয় ক্রেডিট কার্ডে গ্রাহকের লেনদেনসংক্রান্ত (কেনাকাটা, নগদ উত্তোলন বা অন্য কোনো ধরনের মার্চেন্ট লেনদেন) কোনো দায় না থাকলে অপরিশোধিত বা বিলম্বে পরিশোধজনিত লেনদেনবহির্ভূত মাশুলের ওপর কোনো ধরনের বাড়তি জরিমানা আরোপ করা যাবে না।

এ ছাড়া লেনদেনবহির্ভূত মাশুলের ওপর কোনো অবস্থাতেই সুদ বা মুনাফা আরোপ করা যাবে না। এ ধরনের মাশুল অনাদায়ী থাকলে এর জন্য গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে না। তবে ক্রেডিট কার্ডে গ্রাহকের লেনদেনসংক্রান্ত দায় যথাসময়ে পরিশোধ না হলে ঋণ শ্রেণিকরণ ও নিরাপত্তা সঞ্চিতিবিষয়ক নীতিমালা অনুসরণ করে গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে। ক্রেডিট কার্ডের বিল সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে আদায় হলে লেনদেনবহির্ভূত মাশুল সমন্বয়ের পর গ্রাহকের লেনদেনসংক্রান্ত দায় সমন্বয় করা যাবে।

এ ছাড়া নীতিমালা জারির আগে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনসংক্রান্ত দায় না থাকার পরও লেনদেনবহির্ভূত মাশুল শোধ না করার কারণে যাদের খেলাপি করা হয়েছে, তাদের শ্রেণি মান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ