সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ পলাশপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমাম ও খতিব নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ইরানের হাতে পরমাণু থাকলে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতো না: ট্রাম্প পাকিস্তানে সামরিক প্রশিক্ষণ মহড়ায় বিমান বিধ্বস্তে নিহত ২ পাইলট ময়মনসিংহে মিলল ৫ বছরের শিশুর লাশ, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ  আদ্-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ করেছি, মেডিকেল কলেজ বন্ধ করিনি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ ১৪ হাজার কোটি টাকা, ৪ কোটি পরিবার পাবে সুবিধা গফরগাঁওয়ে ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন, ঢাকা-ময়মনসিংহ ট্রেন চলাচল বন্ধ ভারতীয় ভিসায় আইভ্যাকের নতুন নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ

‘ক্রিস্টাল মেথ-ইয়াবা প্রবেশ রোধে সীমান্তে বসবে অত্যাধুনিক সেন্সর’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দেশে সীমান্ত এলাকা দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ভয়ংকর মাদক ক্রিস্টাল মেথ বা আইস ও ইয়াবা আসছে। এসব মাদকের প্রবেশ রোধে সীমান্তে অত্যাধুনিক সেন্সর ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদর দপ্তরে ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধান অতিথির পক্ষ থেকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল মনোনীতদের পদক তুলে দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কোনো ড্রাগ প্রডিউসিং (মাদক উৎপাদন) কান্ট্রি নয়। কিন্তু তারপরেও মাদকের ভয়াল থাবা থেকে আমাদের প্রজন্মকে রক্ষার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করেছি। পার্শ্ববর্তী দেশ যারা মাদক উৎপাদন করে তাদের সঙ্গে মন্ত্রী, ডিজি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড পর্যায়ে আলোচনা করছি। কোস্ট গার্ডকে আরও শক্তিশালী করছি। শক্তিশালী করার অনেকগুলো উদ্দেশ্যের মধ্যে মাদক রোধ একটি উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, ভয়ংকর মাদক ইয়াবা ও আইস প্রবেশ রোধে সীমান্ত শক্তিশালী করছি। সীমান্তে সেন্সর লাগানোসহ কোস্ট গার্ডকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। মাদককে জিরো টলারেন্স নীতিতে আমরা রোধ করব।

তিনি আরও বলেন, ইয়াবা ও আইস ভয়ংকর ড্রাগ। এই ড্রাগ যারা সেবন করে তাদের শরীর ও মেধা নষ্ট হয়ে যায় এবং সমাজের জন্য সে বোঝা হয়ে যায়। এসব মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু কোস্ট গার্ড নয়, পুলিশ, বিজিবিসহ সবাই সতর্ক রয়েছে। ৪৭ হাজার কিলোমিটার আমাদের উপকূলীয় এলাকা। সীমান্তে একটি এলাকা মাদক নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী করছি কিন্তু অন্য এলাকা দিয়ে মাদক কারবারিরা মাদক আনার চেষ্টা করছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ইয়াবাকে উৎসাহ দেয় বলেই অহরহ দেশে আসছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ