রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা-প্রজন্ম সম্মেলন সফল করতে মজলিসে শুরার যৌথ সভা নবীপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেল ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ সেরা হজ গাইডদের পুরস্কার ৫ লাখ টাকা, ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর ঘোষণা ১১৫ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় মাওলানা আরশাদ মাদানীর ক্ষোভ ইসলামী আন্দোলন মুলাদী উপজেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের জীবন পড়ে জার্মান নারীর ইসলাম গ্রহণ ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের কর্মযজ্ঞ ‘মসজিদকে পরিবর্তনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার দায়িত্ব ইমামদের’ শীঘ্রই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে: ত্রাণমন্ত্রী জেদ্দায় ইসলামি ফিকহ একাডেমির সেমিনারে যোগ দিচ্ছেন মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ

মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত সংখ্যা ৮ লাখ ছাড়িয়েছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR) বলেছে যে, গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তির সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে এবং বর্তমানে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা ৮ লাখ ছাড়িয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) মুখপাত্র ম্যাথিউ সল্টমার্শ সাংবাদিকদের বলেছেন যে, সংঘাত বাড়ার সাথে সাথে সংস্থাটি শরণার্থীদের সহায়তা বাড়িয়েছে।

সল্টমার্শ বলেন, "সংঘর্ষ ও সশস্ত্র সংঘাত ক্রমবর্ধমান হওয়ায় মিয়ানমার জুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে এবং এই সংঘাত হ্রাসের কোনো লক্ষণ নেই।"

জাতিসংঘ একটি বিবৃতিতে উঠে এসেছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে সামরিক অভ্যুত্থানের ফলে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার পর থেকে মোট প্রায় ৪ লাখ ৪০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর আগে, ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধারণ করা হচ্ছে আগামী কয়েক মাসে এর প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে রাখাইন রাজ্যের প্রায় ৬ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম সংখ্যালঘু যার মধ্যে বাস্তুচ্যুত ১ লাখ ৪৮ হাজার রোহিঙ্গার মানবিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে।

২০২০ সালের আগস্টে জাতিসংঘ রোহিঙ্গা মুসলিম সংখ্যালঘুদের বাস্তুচ্যুতিকে ইচ্ছাকৃত গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে এবং সামরিক বাহিনীর সাথে যুক্ত কোম্পানিগুলির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছে।

মিয়ানমারের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্য, চাকরি হারানো এবং আয়, মৌলিক পরিষেবার ব্যাঘাত এবং দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তাহীনতার সাথে অস্থিতিশীল বিরাজ করছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ