রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা-প্রজন্ম সম্মেলন সফল করতে মজলিসে শুরার যৌথ সভা নবীপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেল ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ সেরা হজ গাইডদের পুরস্কার ৫ লাখ টাকা, ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর ঘোষণা ১১৫ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় মাওলানা আরশাদ মাদানীর ক্ষোভ ইসলামী আন্দোলন মুলাদী উপজেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের জীবন পড়ে জার্মান নারীর ইসলাম গ্রহণ ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের কর্মযজ্ঞ ‘মসজিদকে পরিবর্তনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার দায়িত্ব ইমামদের’ শীঘ্রই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে: ত্রাণমন্ত্রী জেদ্দায় ইসলামি ফিকহ একাডেমির সেমিনারে যোগ দিচ্ছেন মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ

আওয়ার ইসলাম সম্পাদকের মামীর ইন্তেকাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব: জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুবের মামী মোসা. আছমা বেগম ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ‍প্রায় সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থেকে তিনি শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে মৃত্যু বরণ করেন। আজ (রোববার) দুপুর ২.৩০ মিনিটে তার সাবেক কর্মস্থল কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের হিলচিয়া স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

আরো জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি (শুক্রবার)  গ্রামের বাড়ি বাজিতপুরের হিলচিয়ায় তিনি আকষ্মিকভাবে আগুনে দগ্ধ হোন। এরপর স্থানীয় ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে তাকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। কিন্তু শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ২৩ জানুয়ারি রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।

ব্যক্তিগত জীবনে মোসা. আছমা বেগম ছিলেন ৩মেয়ে ও একছেলের জননী। তাদের মধ্যে দুই মেয়ে চিকিৎসক পেশায় নিয়োজিত। তাছাড়া তিনি হিলচিয়ার সমাজ সেবক ও চিকিৎসক ডা. শাহজাহানের স্ত্রী।

তার রুহের মাগফেরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবার।

এদিকে তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আওয়ার ইসলাম সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘আমার মামী ও আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষিকা মোসা. আছমা বেগম ছিলেন একজন  গুণী শিক্ষিকা, আদর্শ মা ও সচেতন অভিভাবক। দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মফস্বলে শিক্ষার আলো বিস্তারে তার অবদান অস্বীকার্য। এছাড়া তিনি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন। সমাজসেবায় নিজেকে নিবেদিত করেছেন। তার মতো এমন গুণীজনকে হারিয়ে আমি ব্যথিত ও মর্মাহত। আল্লাহ যেন তার জীবনের সবভুল ক্ষমা করে জান্নাতের উঁচু মাকাম দান করেন সেই কামনা করি। পাশাপাশি তার রুহের মাগফেরাতের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।’

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ