রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধা-প্রজন্ম সম্মেলন সফল করতে মজলিসে শুরার যৌথ সভা নবীপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেল ‘ইশকে নাবি মেহফিল’ সেরা হজ গাইডদের পুরস্কার ৫ লাখ টাকা, ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর ঘোষণা ১১৫ বছরের পুরনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় মাওলানা আরশাদ মাদানীর ক্ষোভ ইসলামী আন্দোলন মুলাদী উপজেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের জীবন পড়ে জার্মান নারীর ইসলাম গ্রহণ ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের কর্মযজ্ঞ ‘মসজিদকে পরিবর্তনের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার দায়িত্ব ইমামদের’ শীঘ্রই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে: ত্রাণমন্ত্রী জেদ্দায় ইসলামি ফিকহ একাডেমির সেমিনারে যোগ দিচ্ছেন মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ

এবার যাদুঘর-মঞ্চ বানানোর ঘোষণা দিলেন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান এবার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি যাদুঘর-মঞ্চ বানাবেন। আর সে কারণে জেদ্দায় বেশ কয়েকটি জায়গায় ভেঙে ফেলা হচ্ছে মানুষের ঘর-বাড়ি। কয়েক দশক ধরে শহরটির গুলাইল, কান্দারা, আল বাগদাদিয়া, আল কারানতিনাহ ও হিন্দাউইয়াতে বাস করে আসছেন মধ্যম আয়ের মানুষরা। যারা দীর্ঘদিন আগে ইয়েমেন ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে সেখানে বসতি স্থাপন করেন।

তবে এসব জায়গায় এখন জাদুঘর ও অপেরা হাউস বা নাট্যমঞ্চ তৈরি করতে চান সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। আর এ কারণেই বাড়িগুলো ভেঙে ফেলা হচ্ছে বলে জানা যায়।

২০১৬ সালে ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করেন প্রিন্স সালমান। তখন তিনি জানান, জেদ্দায় একটি আধুনিক যাদুঘর, নাট্যমঞ্চ, একটি স্টেডিয়াম ও অ্যাকুরিয়াম তৈরি করবেন।

এখন জেদ্দায় গরীব ও অনুন্নত এলাকাগুলোকে নির্ধারণ করে সেগুলো খালি করে দেওয়া হচ্ছে। যদিও জেদ্দার সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বাড়িগুলো অনুমতিছাড়া তৈরি করা হয়েছে। ফলে এগুলো ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

আর যাদের ঘর ভাঙা হচ্ছে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। তবে অনেক ভুক্তভোগী জানান তাদের বাড়ির যে দাম তার চেয়ে অনেক কম ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, হঠাৎ করে বাড়িতে এসে লাল দাগ দিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই সেই বাড়ি খালি করে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে সৌদি আরবের অনেক নাগরিকও এর নিন্দা জানিয়েছেন। তাছাড়া মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, বাড়িগুলো ভেঙে ফেলার কারণে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পড়বেন। সূত্র: আল জাজিরা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ